Archita Phukan: সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভাইরাল অর্চিতা ফুকন, সত্যিই কি পর্নস্টার হয়ে গেলেন অসমের মেয়ে? - Bengali News | Assam Girl Archita Phukan Went Viral, Real Truth Comes Out, Her Ex Boyfriend Arrested, Know What Happened Exactly - 24 Ghanta Bangla News
Home

Archita Phukan: সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ভাইরাল অর্চিতা ফুকন, সত্যিই কি পর্নস্টার হয়ে গেলেন অসমের মেয়ে? – Bengali News | Assam Girl Archita Phukan Went Viral, Real Truth Comes Out, Her Ex Boyfriend Arrested, Know What Happened Exactly

Spread the love

ভাইরাল অর্চিতা ফুকনের ছবি।Image Credit source: X

গুয়াহাটি: সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে চর্চায় এখন একটা নাম। অর্চিতা ফুকন। অসমের মেয়ে নাকি কাজ করছেন আমেরিকার পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে। নামকরা এক পর্ন তারকার সঙ্গে তাঁর ছবিও ভাইরাল। অতি উৎসুক ব্যক্তিরা তো তাঁর ভিডিয়ো সার্চ করাও শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু এই অর্চিতা ফুকন কে? সত্যিই কি সে নীল ছবি বানাচ্ছেন? কেনই বা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?

এক সপ্তাহ  ধরে অহমিয়া মেয়ে অর্চিতা ফুকনকে নিয়ে হাজারো চর্চা। “অর্চিতা ভিডিও ভাইরাল অরিজিনাল”, “বেবি ডল আর্চি ভাইরাল ভিডিও”, “অর্চিতা ভিডিও ভাইরাল লিঙ্ক”-র মতো শয়ে শয়ে কি-ওয়ার্ডে সার্চ করা হচ্ছে তাঁর ভিডিয়ো। অবশেষে এবার সামনে এল সত্যি। জানা গেল, অর্চিতার ছবি সম্পূর্ণভাবেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি।

জানা গিয়েছে, অর্চিতা আসলে কোনও নীল ছবিতে কাজ করেনি। আমেরিকাতেও থাকে না সে। অসমের ডিব্রুগড়ে থাকে। বিবাহিতও অর্চিতা। তাঁর এই ভিডিয়ো ভাইরাল করার পিছনে রয়েছে এক যুবক। অভিযোগ, ওই যুবক এআই দিয়ে অর্চিতার ছবি বিকৃত করেছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিগুলি ভাইরাল করে দিয়েছে। অন্য কারোর শরীরের সঙ্গে অর্চিতার মুখ বসিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেয়।

  ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম প্রতীম বোরা। অসমের তিনসুকিয়ার বাসিন্দা ওই যুবক। অর্চিতার নামে সে ভুয়ো ফেসবুক প্রোফাইলও তৈরি করেছিল। তবে ঘটনার আসল মোড় হল, অভিযুক্ত যুবক গোটা ঘটনাটিই ঘটিয়েছে শুধুমাত্র প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য।

 জানা গিয়েছে, অর্চিতার প্রাক্তন প্রেমিক প্রতীম। প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার পর প্রতিশোধ নিতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল। অর্চিতা ফুকনের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতীমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *