Amit Shah: আর যাতায়াত নয়, ভোটের আগে বাংলায় বাড়ি ভাড়া নিতে পারেন শাহ – Bengali News | BJP leader Amit Shah may stay in West Bengal before assembly elections in 2026
কলকাতা: পাখির চোখ বাংলা। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটের প্রচারে ঘনঘন এ রাজ্যে আসতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। এবার আর যাতায়াত নয়। বিজেপি সূত্রের খবর, ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বাংলায় ঘাঁটি গাড়তে চলেছেন অমিত শাহ। বিহারের বিধানসভা ভোট মিটলেই বাংলায় বাড়ি ভাড়া নিতে পারেন তিনি। ফলে ঘন ঘন যাতায়াত নয়, বাংলায় থেকেই ভোট কৌশল রচনা করতে পারেন মোদীর ডেপুটি শাহ।
নভেম্বরের মধ্যে বিহারের নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। ততদিনে বাংলায় পুজো পর্বও মিটে যাবে। তারপর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারও জোরকদমে শুরু করবে রাজনৈতিক দলগুলি। বিজেপি সূত্রে খবর, সেজন্যই বিহারের ভোট মিটলেই বাংলায় ঘাঁটি গাড়বেন শাহ। বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।
একুশের নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিল বিজেপি। কিন্তু, তৃণমূল ২০০-র বেশি আসন পেয়ে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসে। তবে বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, এবার মানুষ তৃণমূলকে বিদায় জানাবে। গত ৮ জুন তামিলনাড়ুতে একটি সভায় শাহ বলেছিলেন, ২০২৬ সালে তামিলনাড়ু ও বাংলায় এনডিএ সরকার গড়বে। আবার কয়েকদিন আগে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় মোদীর ডেপুটি শাহ বলেন, “আমি সম্প্রতি বাংলা যাইনি। তবে মমতাজির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা বেশ তীব্র। এর সুবিধা পাওয়ার জায়গায় একমাত্র রয়েছে আমাদের পার্টিই। বাংলায় মাত্র ৩ থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছি আমরা। যিনি অঙ্ক বোঝেন, তিনি এই প্রবণতাটা বুঝতে পারবেন। ৩৪ বছর রাজত্ব করার পর বামেরা শূন্য। ৩০ বছর রাজত্ব করার পর কংগ্রেসও শূন্য।”
একুশের নির্বাচনে মোদী, শাহর ঘনঘন বাংলায় প্রচারের আসা নিয়ে কটাক্ষ করত তৃণমূল। আর ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে শাহর এ রাজ্যে ঘাঁটি গাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, “মঞ্চ অমিত শাহর। কণ্ঠ অমিত শাহর। কথা বলার অধিকার সংবিধান দিয়েছে। তাহলে বলতে অসুবিধা কোথায়। গত সাত-আট বছর ধরে এক কথা শুনে আসছি, এবার বিজেপি সরকার। এবারও হারবেন। আগে পাঁচতারা হোটেল ভাড়া করেছিলেন। এবার বাড়িভাড়া করবেন। বলছেন, ঘরে ঘরে যেতে। ঘরে ঘরে যাবে কে? কোনও সংগঠন নেই।”
জয়প্রকাশকে পাল্টা খোঁচা দিয়ে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেখুন, গতবার অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। এবার বাকি অর্ধেকটা করব। আমাদের সর্বভারতীয় দল। সর্বভারতীয় নেতারা আসবেন। প্রচার করবেন। লক্ষ লক্ষ কর্মী তাঁদের সঙ্গে থাকবেন। জয়প্রকাশবাবু সবে তৃণমূলে গিয়েছেন। তাঁর নেতাদের জিজ্ঞাসা করুন, তাঁরা ত্রিপুরায় কত টাকা খরচ করেছেন? গোয়ায় কত টাকা খরচ করেছেন? তাঁরা ডেলি প্যাসেঞ্জারি করেন না? আমি দেখেছি, এখান থেকে বাসে করে ত্রিপুরায় লোক নিয়ে গিয়েছেন। তবে সেখানকার লোক ভাল করে প্যাকিং করে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর যেটুকু জমিদারি টিমটিম করে জ্বলছে, ছাব্বিশে সেটা গুটিয়ে যাবে।”
