কয়লা পাচারকাণ্ডে বিনয় মিশ্র রয়েছেন গ্রেট ব্রিটেন, দেশে ফেরাতে চায় সিবিআই - 24 Ghanta Bangla News
Home

কয়লা পাচারকাণ্ডে বিনয় মিশ্র রয়েছেন গ্রেট ব্রিটেন, দেশে ফেরাতে চায় সিবিআই

Spread the love

প্রায় পাঁচ বছর ধরে উধাও কয়লা পাচার কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র। সেই বিনয় অবস্থান বদল করেছেন বলে দাবি করল সিবিআই। কয়লা পাচার কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত বিনয়কে এতদিন ভানুয়াতুতে লুকিয়ে থাকার কথা বলা হলেও এবার তদন্তকারী সংস্থা জানাচ্ছে, তিনি বর্তমানে রয়েছেন গ্রেট ব্রিটেন কিংবা উত্তর আয়ারল্যান্ডে। সোমবার আসানসোলের সিবিআই আদালতে এই মর্মে হলফনামা জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সঙ্গে আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে অভিযুক্তকে দেশে ফেরাতে ওই দুই দেশের সরকারের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানানো যায়।

আরও পড়ুন: বিনয় মিশ্রকে কি সত্যিই ফোন করেছিলেন?অভিষেককে বিস্ফোরক চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

২০১৯ সালে কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নজরে আসেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিনয় মিশ্র। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাচারের কোটি কোটি টাকার লেনদেন তাঁর মাধ্যমেই হতো। তদন্ত শুরু হতেই দেশ ছাড়েন তিনি। প্রথমে দুবাই, পরে ভানুয়াতু ছিলেন বিনয়, এমনটাই জানায় সিবিআই। এমনকি, ভানুয়াতুর নাগরিকত্বও নেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে এবার তদন্তকারীদের দাবি, তাঁর অবস্থান ভানুয়াতু নয়, ইউরোপেই হয় গ্রেট ব্রিটেন, নয়তো উত্তর আয়ারল্যান্ডে।

এই পরিস্থিতিতে সিবিআই আদালতের কাছে ‘রেড কর্নার নোটিস’ জারি করার অনুমতি চেয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় তারা। এই কারণেই বিচারক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হলফনামায় সইয়ের আবেদন করা হয়েছে। সেই হলফনামা বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে পাঠাতে চায় সিবিআই।

বিনয়ের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস আগেই জারি হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টে তিনি গ্রেফতারি থেকে রক্ষার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এতদিন পর তদন্তে এমন অগ্রগতি সিবিআইয়ের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও জল্পনা বাড়ছে। কারণ, একাধিক রাজনৈতিক সংযোগ ও অভিযোগ নিয়ে বিনয় মিশ্র ছিলেন আলোচনায়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দেশ দেয়নি আদালত। আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সিবিআই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *