BJP: শমীকের দ্বারে ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা, মোদীর সভাতেও যেতে প্রস্তুত – Bengali News | BJP State President Samik Bhattacharya meets sacked teachers
শমীক ভট্টাচার্যের কাছে ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের প্রতিনিধিরাImage Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: নিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে এবার বিজেপির সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করলেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের কয়েকজন। শনিবার বিজেপির সল্টলেক দফতরে ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের প্রতিনিধি হিসেবে সুমন বিশ্বাস-সহ কয়েকজন আসেন। তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন শমীক। নিজেদের দাবি-দাওয়া বিজেপির রাজ্য সভাপতির হাতে তুলে দেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের প্রতিনিধিরা।
এদিন শমীকের সঙ্গে দেখা করে সুমন বিশ্বাসরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজেদের সমস্যার কথা তাঁরা জানাতে চান। আগামী ১৮ জুলাই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। দমদমের সেন্ট্রাল জেলের মাঠে সভা করতে পারেন। চাকরিহারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সব চাকরিহারাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাতেও থাকবেন তাঁরা। ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের নিয়ে রাজ্য সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না বলে সরব হলেন সুমনরা।
প্রসঙ্গত, গত ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ২০১৬ সালের এসএসসি-র পুরো প্যানেল বাতিল হয়। চাকরি হারান প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। তবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আবেদনে সাড়া দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্লাস নিতে পারবেন ‘যোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তবে গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীরা স্কুলে যেতে পারবেন না।
এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এসএসসি। কিন্তু, ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা জানিয়েছেন, তাঁরা এই পরীক্ষায় বসবেন না। ‘যোগ্য’ হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা কেন ফের পরীক্ষা দেবেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা। আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
এই পরিস্থিতিতে এদিন ‘যোগ্য’ চাকরিহারাদের প্রতিনিধিরা শমীকের সঙ্গে দেখা করলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদনও জানালেন। গত ২৯ মে আলিপুরদুয়ারে সভা করতে এসে চাকরি বাতিল নিয়ে রাজ্যের শাসকদলকে তোপ দেগেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের দুর্নীতির জন্য শিক্ষকদের চাকরি গিয়েছে বলে তোপ দেগেছিলেন। এবার ‘যোগ্য’ চাকরিহারারা নিজেদের সমস্যার কথা মোদীকে জানাতে চান বলে শমীককে জানালেন। মোদীর সভাতেও প্রয়োজনে থাকতে চান তাঁরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয় কি না, সেটাই এখন দেখার।
