সপ্তাহের শেষে ফের বিভ্রাট, অফিস টাইমে থমকে গেল মেট্রো, দুর্ভোগে যাত্রীরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

সপ্তাহের শেষে ফের বিভ্রাট, অফিস টাইমে থমকে গেল মেট্রো, দুর্ভোগে যাত্রীরা

Spread the love

সপ্তাহান্তেও স্বস্তি মিলল না কলকাতাবাসীর। ফের যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে শহরের লাইফলাইন মেট্রো। শনিবার সকালেই ভোগান্তির মুখে পড়লেন বহু যাত্রী। ডাউন লাইনে দাঁড়িয়ে পড়ল মেট্রো। তারফলে একের পর এক স্টেশনে অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকল মেট্রো। ফলে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

আরও পড়ুন: সোমবার সকালেই থমকাল মেট্রো, লাইনে জল জমে বিভ্রাট, নাকাল যাত্রীরা

মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ ডাউন লাইনে নিউ গড়িয়া (কবি সুভাষ) অভিমুখী একটি মেট্রো রেকে সমস্যা দেখা দেয়। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যতীন দাস পার্ক স্টেশনে আচমকাই দাঁড়িয়ে পড়ে মেট্রোটি। এর জেরে পিছনের একাধিক মেট্রো দাঁড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন স্টেশনে। ঘটনার জেরে প্রায় ২৫ মিনিট ধরে পরিষেবা ব্যাহত থাকে। শেষমেশ সকাল ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। তবে ততক্ষণে অফিসগামী ও অন্যান্য জরুরি যাত্রীরা পড়েন চরম বিপাকে।

এর আগে গত সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দু’ঘণ্টা সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো চলাচল। পাতালপথে জল ঢুকে পড়ায় চাঁদনি চক ও সেন্ট্রাল স্টেশনের মাঝে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যাত্রীসুরক্ষার খাতিরে বন্ধ রাখতে হয়েছিল পরিষেবা।তবে জল সরিয়ে আংশিকভাবে মেট্রো চালানো হলেও যাত্রীদের অভিযোগ ছিল অন্য। তাঁরা জানান, সময় মতো ট্রেন আসেনি, দেরিতে এসেও অত্যধিক ভিড় নিয়ে ট্রেন ঢুকেছে প্ল্যাটফর্মে। চাপে দরজা ঠিকমতো বন্ধ হচ্ছিল না। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, এসিও ঠিকভাবে কাজ করেনি, ফলে অসহ্য গরমে ঘেমে নাজেহাল হয়েছেন তাঁরা।

বারবার বিভ্রাটের ঘটনায় মেট্রোর রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। শহরের ব্যস্ততম পরিবহণ ব্যবস্থায় পরপর এই ধরনের ব্যাঘাত যাত্রী নিরাপত্তা ও সুবিধা দু’টো নিয়েই বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করেছে।লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন এই মেট্রোর উপর ভরসা করেন। তাঁদের যাত্রাপথে এমন বারবার বাধা রীতিমতো চিন্তার বিষয়। পরিকাঠামোগত দুর্বলতা, জলনিকাশি সমস্যা নিয়ে কোনও রকম সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ এখনও পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে নিত্যযাত্রীদের একাংশের তরফে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *