Kunal on Madan Mitra: দোলে সংসার! ‘সকালে ঝগড়া, দুপুরে একসঙ্গে খাওয়া’, দলে সব ঠিক রয়েছে বলেই বার্তা কুণালের – Bengali News | Kunal ghosh declines to react to madan mitras remarks on kasba case
ব্যারাকপুর: সকালে ঝগড়া-ঝাঁটি হয়, দুপুরে আবার এক সঙ্গে বসে খায়। তৃণমূলের অন্দরে কসবা-কাণ্ড ঘিরে তৈরি হওয়া ‘বিবাদ’ নিয়ে প্রশ্ন করতেই সাফ কথা কুণালের। মদন মিত্র কিংবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ‘বিরূপ’ মন্তব্য ও শোকজ করা নিয়ে ‘রা’ কাটেন না তিনি। বরং সব কিছু যে ঠিক রয়েছে, তাই নিজের বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বুঝিয়ে দেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।
এদিন তিনি বলেন, ‘একজন সাংসদ, অন্যজন বিধায়ক। তাই দল কাকে শোকজ করল, সেটা দলের ব্যাপার। দু’জনেই একনিষ্ঠ কর্মী। এখানে তারা কী বলেছে, কী বলেনি, তার জন্য দলের বিড়ম্বনায় পড়ার কোনও কারণ নেই। এক বাড়িতে থাকলে এমনটা হয়েই থাকে। সকালে ঝগড়া-ঝাঁটি হয়, দুপুরে এক সঙ্গে বসে খায়।’
সত্যিই কি তৃণমূলের অন্দরে সব ঠিক রয়েছে? অভ্যন্তরে কী চলছে তা সাধারণের ক্ষেত্রে বোঝা কঠিন। তবে কসবা-কাণ্ড ঘিরে দুই সাংসদের বচসা এখন সকলেরই সামনে। একদিকে মহুয়া-অন্যদিকে কল্যাণ। শ্রীরামপুরের সাংসদের মন্তব্যের বিরুদ্ধে ইঙ্গিতে নিন্দা করে তাঁকে ‘নারীবিদ্বেষী’ বলেছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। পাল্টা কল্যাণ কিন্তু ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তার ধার ধারেননি। তোপ দেগেছেন সরাসরি। সাফ বলেছেন, ‘আমি নারীবিদ্বেষী নই। তবে একজন নারীকেই ঘৃণা করি। তিনি মহুয়া মৈত্র।’
অন্যদিকে মদন, তিনি বেশ ‘শান্তই’ রয়েছেন। কসবা-কাণ্ড ঘিরে ভিন্ন রুচির মন্তব্য করে দলের কাছ থেকে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে শোকজ চিঠি। যদিও প্রথমদিকে তিনি কোনও চিঠি পাননি বলে দাবি করলেও, ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সেই বয়ানে বদল ঘটেছে। তিনি বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি নেতৃত্ব আমার অবস্থান বুঝবেন। আজ রবিবার ছিল, তাই কোনও প্রত্যুত্তর দিইনি। আগামিকাল শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে চিঠি পৌঁছে যাবে।’ অবশ্য, মদন মন্তব্য করে শোকজ চিঠি পেলেও, তা কিন্তু কল্যাণ পাননি। যা নিয়ে কামারহাটির বিধায়ক বলেন, ‘এটা দলের সিদ্ধান্ত।’
