বিভীষিকাময় সেই সন্ধ্যার পর ফের কসবার কলেজে নির্যাতিতা, তাঁর মুখ থেকে সবটা শুনল পুলিশ, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিভীষিকাময় সেই সন্ধ্যার পর ফের কসবার কলেজে নির্যাতিতা, তাঁর মুখ থেকে সবটা শুনল পুলিশ, বাংলার মুখ

Spread the love

২৮ জুন সন্ধ্যায় কসবা ল’ কলেজে নিয়ে যাওয়া হয় নির্যাতিতা সেই ছাত্রীকে। ঘটনা কোথায় কী ঘটেছিল, তা পুলিশকে নিজে বলেন সেই নির্যাতিতা। গত ২৫ জুনে এই কলেজেই এই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করেছিল টিএমসিপি করা মনোজিৎ মিশ্র, প্রতিম মুখোপাধ্যায়, জাইব আহমেদরা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনই গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া কলেজের নিরাপত্তারক্ষী পিনাকী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। (আরও পড়ুন: ‘কসবাকাণ্ডে মেয়েটা যদি না যেত…’ বলা মদন মিত্র এবার নয়া ‘চ্যালেঞ্জ’ ছুড়ে দিলেন)

আরও পড়ুন: ধৃত BJP নেতারা জামিন প্রত্যাখ্যান করবেন, লকআপ থেকে বেরিয়ে ঘোষণা সুকান্তর

সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের কসবা ক্যাম্পাস থেকে পুলিশ ইতিমধ্যেই সংগ্রহ করেছে একধিক প্রমাণ। যে কমন রুমে সেই নির্যাতিতা মারধরের অভিযোগ করেছিলেন, সেখানে রক্তের দাগ পেয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে নমুনাও সংগ্রহ করেছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। এদিকে কলেজ থেকে হকিস্টিকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, সেই হকিস্টিক দিয়ে নির্যাতিতাকে মারধর করা হয়েছিল। (আরও পড়ুন: ‘নারীবিদ্বেষ…’, কসবা গণধর্ষণ কাণ্ডে কল্যাণ-মদনকে নিয়ে বিস্ফোরক মহুয়া)

এদিকে পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে কলেজের সিসিটিভির হার্ডডিস্ক। পুলিশ জানিয়েছে, সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজ থেকে পাওয়া সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ২৪ বছরের এক ছাত্রীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৫ জুন বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে রাত ১০টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সাত ঘণ্টার সিসিটিভি ফুটেজে কলেজ চত্বরের চারপাশের গতিবিধি ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, নির্যাতিতাকে জোর করে গার্ডের ঘরে ঢোকানো হয়, যেখানে তিন অভিযুক্ত তাকে যৌন নির্যাতন করে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে মেয়েটির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাতে তিন অভিযুক্ত, নিরাপত্তারক্ষী ও নির্যাতিতার গতিবিধি দেখা যাচ্ছে। মূল অভিযুক্তের মোবাইল ফোন থেকে দেড় মিনিটের একটি ভিডিয়ো ক্লিপও উদ্ধার করা হয়েছে। ভিডিয়োটির ফরেনসিক বিশ্লেষণ চলছে।

এদিকে কসবা ল’ কলেজে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মেডিক্যাল রিপোর্ট সামনে এসেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই ছাত্রীর গলায় কামড়ের দাগ রয়েছে। এদিকে যৌনাঙ্গ ক্ষত রয়েছে। এছাড়া শরীরের অন্যান্য জায়গায় মারধরের দাগও দেখা গিয়েছে। এই আবহে মেডিক্যাল রিপোর্টে স্পষ্ট যে যৌন নিগ্রহের শিকার হয়েছেন সেই অভিযোগকারী তরুণী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *