Rath Yatra 2025: বউকে রেখে ঘুরতে যাওয়া, রেগে কাঁই স্ত্রী! তারপর কী হয়েছিল জগন্নাথদেবের? চিনে নিন মহাপ্রভুর অর্ধাঙ্গিনীকে

আজ রথযাত্রা। বিশ্বজগতের প্রভু জগন্নাথ গিয়েছেন তাঁর মাসির বাড়ি। পুরীর মূল মন্দির থেকে বেরিয়ে তিনি গিয়েছেন মাসির বাড়ি গুন্ডিচা মন্দির। রথে চেপে দাদা বলভদ্র এবং বোন সুভদ্রার সঙ্গে রথে চেপে যাচ্ছেন মাসির বাড়ি। পুরীর মন্দিরের মাহাত্ম্য ছড়ানো গোটা বিশ্ব জুড়ে। নীলাচলের মহাপ্রভু তিনি। নীলাচলপতি।
এই রথযাত্রা উৎসব কেবল ১ দিনের নয়। উৎসব চলে সাত দিন। মাসির বাড়িতে চলে নানা আচার অনুষ্ঠান পালন। তার মধ্যে একটি হল হেরা পঞ্চমী। এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত জগন্নাথদেবের স্ত্রীর কাহিনিও। যা রথযাত্রার পঞ্চম দিনে পালিত হয়। প্রচলিত, মা লক্ষ্মীই নাকি জগন্নাথের স্ত্রী। এই সময় ভগবান জগন্নাথের উপর রুষ্ট হন তিনি।
window.onload = function() {
window._taboola = window._taboola || [];
var isMobile = is_mobile(); // Assign function return value to a variable
console.log(“isMobile:”, isMobile); // Debugging output
if (!isMobile) {
console.log(“Loading desktop ads”);
_taboola.push({
mode: ‘organic-thumbnails-mid-personalisation-desk-new’,
container: ‘taboola-mid-article-personalisation’,
placement: ‘Mid Article Personalisation’,
target_type: ‘mix’
});
} else {
console.log(“Loading mobile ads”);
_taboola.push({
mode: ‘organic-thumbnails-mid-personalisation-mob-new’,
container: ‘taboola-mid-article-personalisation’,
placement: ‘Mid Article Personalisation’,
target_type: ‘mix’
});
}
};
রথযাত্রার পাঁচ দিন পর এই আচার পালিত হয়। এই দিনে, ভগবান জগন্নাথের স্ত্রী দেবী লক্ষ্মীর সঙ্গে দেখা করার জন্য গুন্ডিচা মন্দিরে প্রতীকী দর্শন করেন। হেরা পঞ্চমী নামে পরিচিত, এই আচারে রাতে দেবীর গোপন শোভাযাত্রা বেরোয়। এই ঐশ্বরিক দর্শন বিবাহিত দম্পতির পুনর্মিলন এবং বৈবাহিক সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। আসলে, দেবী লক্ষ্মীর হঠাৎ গুন্ডিচা মন্দিরে আগমনের পিছনেও একটি কারণ রয়েছে।
দেবী লক্ষ্মী কেন গুন্ডিচা মন্দিরে যান?
ভগবান জগন্নাথ দেবী লক্ষ্মীকে না জানিয়ে এবং তাঁকে সঙ্গে না নিয়েই তাঁর মাসির বাড়িতে চলে যান। এই কারণে, দেবী লক্ষ্মী ভগবান জগন্নাথের উপর ক্রুদ্ধ হন এবং রাগে মন্দির ছেড়ে চলে যান। মনে মনে সিদ্ধান্ত নেন যে আজ তিনি অবশ্যই ভগবান জগন্নাথের সঙ্গে দেখা করবেন। তাঁর মনে এই প্রশ্নও ছিল যে কেন ভগবান জগন্নাথ তাঁকে তাঁর সঙ্গে নিয়ে যাননি।
দেবী লক্ষ্মী ভগবান জগন্নাথের উপর ক্রুদ্ধ। তাই, তিনি তার ক্রোধ প্রকাশ করার জন্য ভগবানের রথের ক্ষতি করেন। আসলে, দেবী লক্ষ্মী এত রাগের সঙ্গে মন্দিরে যান যে গুন্ডিচা মন্দিরের দরজাও হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়, এমন পরিস্থিতিতে, যখন তিনি ভগবানের দর্শন পান না, তখন তিনি ক্রোধে নন্দিঘোষ রথের একটি অংশ ভেঙে ফেলেন।
এটি একটি অনন্য ঐতিহ্য, যা প্রতি বছর রথযাত্রার সময় পালিত হয়। দেবী লক্ষ্মী নাকি ক্রোধে গুন্ডিচা মন্দিরের পরিচারকদেরও মারধর করেন এবং জগন্নাথজীকে পরের দিন যে কোনও মূল্যে বাড়ি ফিরে যেতে বলেন।
রথযাত্রার সময়, দেবী লক্ষ্মীর এই যাত্রা গোপনে করা হয়। এই আচারটিও গোপনে করা হয়, কারণ দেবী লক্ষ্মী গোপনে প্রভু কোথায় এবং কেন গেছেন তা দেখতে যান। এই আচারে, প্রভু জগন্নাথ এবং দেবী লক্ষ্মীর প্রতীকী দর্শন হয়। তবে, প্রভুকে সঠিকভাবে দেখতে না পেয়ে দেবী লক্ষ্মী দুঃখিত মনে ফের মন্দিরে ফিরে আসেন।