আগুন পুড়ে মৃত্যু প্রাক্তন বিজেপি সাংসদের পুরনো আপ্ত-সহায়কের, তৈরি ধোঁয়াশা - 24 Ghanta Bangla News
Home

আগুন পুড়ে মৃত্যু প্রাক্তন বিজেপি সাংসদের পুরনো আপ্ত-সহায়কের, তৈরি ধোঁয়াশা

Spread the love

বাড়িতে আগুন লেগে মৃত্যু হল বিজেপি নেতার প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের। ঘটনাটি ঘটেছে কেষ্টপুরের রবীন্দ্রপল্লির এ.ই. ৬৬ নম্বর বাড়িতে। মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রায় সাড়ে তিনটে নাগাদ হঠাৎই আগুন লাগে ওই বাড়িতে। মৃতের নাম সব্যসাচী চক্রবর্তী (৪৯)। তিনি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারের আপ্ত সহায়ক ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘ঈশ্বরের দেওয়া প্রাণ, আমরা…’ কসবায় উদ্ধার একই পরিবারের ৩ সদস্যের ঝুলন্ত দেহ

স্থানীয়রা জানান, এই বাড়িতে একাই থাকতেন সব্যসাচী। জানা গিয়েছে, তিনি বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ সুভাষ সরকারের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক ছিলেন। আগুন লাগার পর বাড়ির ভিতর থেকেই উদ্ধার হয় তাঁর দগ্ধ দেহ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সোমবার গভীর রাতে অল্প সময়েই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। দমকলের ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ঠিকই, কিন্তু তার আগেই প্রাণ যায় ওই প্রৌঢ়ের। বাড়ির একাংশ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে আগুনে। দেওয়ালে এখনও রয়ে গিয়েছে আগুনের কালো ছাপ। ঠিক কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিকে, দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সেখানেই ময়নাতদন্ত হবে। রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছে পুলিশ। মৃত্যুর কারণ ঘিরে তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। কেন তিনি আগুন লাগার সময় ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেন না? কোনওভাবে আটকে পড়েছিলেন কি? নাকি এটি আত্মহত্যার ঘটনা? সবটাই এখন তদন্তসাপেক্ষ।

সব্যসাচীর মৃত্যুর খবরে শোকপ্রকাশ করেছেন বিজেপি নেতা সুভাষ সরকার। তিনি জানান, অনেক দিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন সব্যসাচী। রাতে ঘুম হত না। নিয়মিত চিকিৎসা চলছিল। ওষুধ খেতেন। এমনকী কিছুদিন আগে তাঁর পরামর্শেই বাঁকুড়া গিয়ে ছুটি কাটিয়েছিলেন। সব্যসাচীর মানসিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এই মৃত্যুর পেছনে অবসাদই বড় কারণ হতে পারে। ঘটনার পরে সেখানে পৌঁছায় বাগুইআটি থানার পুলিশ। তদন্তকারীরা বাড়ির ভিতর ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। বৈদ্যুতিক লাইন, শর্ট সার্কিট, দাহ্য বস্তু সব কিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি মৃতের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটি একটি দুর্ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *