Suvendu Adhikari: ‘ওরা চেয়েছিল হাতাহাতি করি, আমি ট্রাউজারে হাত ঢুকিয়ে রেখেছিলাম’, মহিলা নিরাপত্তারক্ষীদের নিয়ে শুভেন্দুর বড় কথা – Bengali News | Suvendu adhikari ‘They wanted to fight, I put my hand in my trousers’, Suvendu’s big words about female security guards
বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা। চার বিজেপি বিধায়কের সাসপেন্ড ঘিরে উত্তাল হয় পরিস্থিতি। হাতাহাতি, চেয়ার-মাইক, লাইট ভাঙচুরের অভিযোগ! বিজেপি বিধায়করা বাইরে বেরিয়ে এসে বসেন ধরনায়। ভিতরে থাকেন একমাত্র বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারীকেও অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে ফেলেন মহিলা নিরাপত্তারক্ষীরা। এদিন ঠিক বিধানসভায় কী ঘটেছিল, তা বাইরে বেরিয়ে এসে বললেন শুভেন্দু।
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, দীপক বর্মন, মনোজ ওঁরাওকে এই অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড করেন স্পিকার। বিজেপি বিধায়করা যখন বাইরে বেরিয়ে গাড়ি বারান্দায় ধরনা বসেছিলেন, তখন শুভেন্দু একাই অধিবেশন কক্ষে স্পিকারের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন।
পরিস্থিতি কিছুটা থীতু হলে শুভেন্দু অধিকারী বেরিয়ে এসে বলেন, “আমরা স্পিকারের টেবিলের সামনে শঙ্কর ঘোষের চশমা, শান্তনু প্রামাণিকের চশমা ও সুব্রত মৈত্রের ঘড়ি প্রামাণ্যস্বরূপ রেখেছি। স্পিকারে আমাকে প্রথমে বললেন বেরিয়ে যান। তারপর নিরাপত্তারক্ষী ডেকে বলছেন, ওকে বার করে দাও। সিকিউরিটি মার্শাল আমাকে গোল করে ঘেরে। ২০ জন মহিলা সিকিউরিটি দিয়ে সার্কেল করে রাখা হয়। ওরা চেয়েছিল আমি মহিলা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে হাতাহাতি করি। কিন্তু আমি আমার দুটো হাত ট্রাউজারের পকেটে ঢুকিয়ে রাখি। আমি ঠিক করেই রেখেছিলাম, আমি হাত বার করব না। আমি চাই, যাতে ধাক্কা মেরে জোর করে আমাকে বার করতে হবে। ১৫ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে ধরনা চালিয়েছিলাম।”
শুভেন্দুর দাবি, “স্পিকারকে বলেছি, কেবল মাইক ভাঙার জন্য বিজেপি বিধায়কদের বিচার করবেন, এটা হতে পারে না। তাঁকে ঘোষণা করতে হবে, বিজেপি বিধায়কদের শারীরিক নিগ্রহ, চশমা, ঘড়ি-সব কিছুর বিচার করবেন। পরে স্পিকার বাধ্য হয়ে ঘোষণা করেন, সব পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখে বিচার করবেন।” শীতকালীন অধিবেশনও আবার তাঁরা সোচ্চার হবেন বলে জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
