Israel Iran Conflict: এবার কি আমেরিকার বিরুদ্ধে মুখোমুখি রাশিয়া? ‘অনেকেই ইরানকে পরমাণু দিতে তৈরি…’, বার্তা প্রাক্তন রুশ প্রেসিডেন্টের – Bengali News | Putin Aide: Nations Ready to Arm Iran with Nukes Before FM’s Moscow Visit
বাঁদিকে দিমিত্রি, ডান দিকে পুতিনImage Credit source: Getty Image
নয়াদিল্লি: তিনি পুতিন ঘনিষ্ট। রাশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে পুতিনের নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান। আগামিকাল মস্কো যাচ্ছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরগাছি। আর ঠিক আগের দিন বড় মন্তব্য করে বসলেন এই পুতিন ঘনিষ্ট প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট।
এদিন তিনি বলেন, ‘একাধিক দেশ ইরানকে পরমাণু অস্ত্র পাঠানোর জন্য তৈরি। আর ভবিষ্যতেও এই পরমাণু অস্ত্রের উৎপাদন অব্যাহতই থাকবে। রোখা যাবে না।’ কিন্তু হঠাৎ করেই ইজরায়েল-ইরানের সংঘর্ষে কেন পা বাড়ালেন রুশ নিরাপত্তা কর্তা?
রবিবার দুই দেশের সংঘর্ষের মাঝে যে ভাবে নাক গলিয়েছে আমেরিকা। সেই কারণে ক্ষেপেছে রাশিয়া, মত ওয়াকিবহাল মহলের। এদিন ভোরবেলা (ভারতীয় সময়) ইরানের মোট তিনটি পরমাণু কেন্দ্র, যথাক্রমে ফরডো, নাতানজ় ও ইসফাহানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাদের B-2 Stealth Bomber যুদ্ধবিমান নিয়ে সরাসরি ইরানে ঢুকে হামলা চালায় মার্কিন সেনা। নিমিষে শেষ হয়ে যায় একের পর এক পরমাণু কেন্দ্র।
আমেরিকা দাবি করে, এই কাজ ইজরায়েলের দ্বারা করা সম্ভব ছিল না বলেই তারা হস্তক্ষেপ করে। GBU-57 ‘Massive Ordnance Penetrator’ বা সংক্ষেপে বলতে গেলে, বাঙ্কার ব্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে গুঁড়িয়ে দেয় তাদের সবচেয়ে সুরক্ষিত, মাটির নীচে থাকা ফরডো পরমাণু কেন্দ্র। এরপরই বেলা বাড়তেই পাল্টা প্রত্য়াঘাত চালায় ইরান। ধোঁয়া ওঠে তেল আভিভে। আহত হয় ৮৬ জন। পারদ চড়ে বিশ্ব রাজনীতির।
উল্লেখ্য, সংঘাতে আমেরিকা পা বাড়াতেই যেন এগিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে রাশিয়া। এদিন দিমিত্রি আরও বলেন, ‘পরমাণু ঘাঁটিতে মার্কিন হামলায় ইরানের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। যাবতীয় জরুরি পরিকাঠামো তারা আগেই সরিয়ে দিয়েছিল। আর ডোনাল্ড ট্রাম্প মুখে শান্তির কথা বললেও বাস্তবে আরেকটা যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিলেন আমেরিকাকে।’
