Dhupguri: এমনও হয়! ছোট্ট রিপনকে কামড়ানোর পর তার পাশেই রাতভর ঘোরাফেরা করে বিষধর সাপ! ভোর হতেই যা হল... - Bengali News | Dhupguri 8 year old boy dies after being bitten by venomous snake - 24 Ghanta Bangla News
Home

Dhupguri: এমনও হয়! ছোট্ট রিপনকে কামড়ানোর পর তার পাশেই রাতভর ঘোরাফেরা করে বিষধর সাপ! ভোর হতেই যা হল… – Bengali News | Dhupguri 8 year old boy dies after being bitten by venomous snake

Spread the love

হাসপাতালে বাড়ছে সাপে কাটা রোগীর সংখ্যাImage Credit source: TV9 Bangla

জলপাইগুড়ি: রাতে বাবা-মায়ের সঙ্গে বসেই খাবার খায়। কিন্তু এতই ঘুম পেয়েছিল, বাবা মা কাজ সেরে বিছানায় যাওয়ার আগেই আট বছরের ছোট্ট রিপন নিজেই বিছানায় উঠে ঘুমিয়ে পড়ে। বাবা-মা তখনও শুতে যাননি। হঠাৎই করে কেঁদে ওঠে রিপন, বলতে থাকে শরীর জ্বলে যাচ্ছে। কেউ তখনও কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি। রিপন পায়ে দিতে থাকে, দেখা যায় পায়ে দুটো ক্ষতচিহ্ন! তখনই বোঝা যায় সবটা। কিন্তু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই সব শেষ। ধূপগুড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ির গধেয়ারকুঠির ভান্ডানি এলাকা। মৃত শিশুর নাম রিপন রায় (৮)।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েছিল ছোট্ট রিপন। আচমকাই কেঁদে ওঠে। দেখা যায়, পায়ে রয়েছে দুটি ক্ষতচিহ্ন। পরিবারের লোকজন সঙ্গে সঙ্গে পাশের এক চিকিৎসককে ডেকে আনেন। তিনি পরীক্ষা করে জানান এটি বিষাক্ত সাপের কামড়। এরপর তড়িঘড়ি শিশুটিকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই রিপনের মৃত্যু হয়।

এদিকে পরিবারের লোকেদের দাবি, বিষাক্ত সাপটি সকাল পর্যন্ত ঘরের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছিল। পরে সাহস করে এক সদস্য সেটিকে ধরে বস্তাবন্দি করে দূরের নদীর ধারে ছেড়ে আসে।

এই ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাশাপাশি বর্ষার শুরুতেই সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগে বাড়ছে চিন্তা।ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সাপের কামড়ে আক্রান্ত আরও ৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, বর্ষাকালে ঝোপঝাড় ও ঘরের আশপাশে সাপ ঢোকার আশঙ্কা বাড়ে। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতা ও দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *