Tata News: কয়েকশো কোটি টাকার অভিযোগ! সিবিআইয়ের আতশকাচের নীচে TATA – Bengali News | CBI Book Complaint Against Tata Firm and Other in Alleged Rupees 800 Crore
নয়াদিল্লি: সিবিআইয়ের আতশকাচের নীচে টাটা-সহ দেশের নামী কয়েকটি গোষ্ঠী। ৮০০ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগে এই সংস্থাগুলির কর্তাদের বিরুদ্ধে আসরে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মূলত জহরলাল নেহরু পোর্ট অথোরিটির এক প্রাক্তন কর্তার বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। সেই ভিত্তিতেই নাম জুড়ে গিয়েছে টাটা গোষ্ঠীর প্রোজেক্ট ডিরেক্টর-সহ অন্য কয়েকটি সংস্থার কর্তা ও বেশ কিছু আধিকারিকের।
কী নিয়ে অভিযোগ?
মুম্বইয়ের নহাভা শেভা বন্দরে একটি ড্রেজিং প্রকল্প ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে জহরলাল নেহরু পোর্ট অথোরিটির প্রধান ইঞ্জিনিয়ার, টাটা কনসালটেন্সি ইঞ্জিনিয়ারস-এর এক নির্বাহী কর্তা-সহ আরও কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে। মোট ৮০০ কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে ধারা ১২০-র বি (ষড়যন্ত্র), ৪২০ (প্রতারণা) ও দুর্নীতি রোধ ফৌজদারি আইনে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ।
তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার এই নামী প্রতিষ্ঠানের কর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। সেই ভিত্তিতে দিনের দিন তল্লাশি অভিযানে নামে সিবিআই। দিল্লি ও চেন্নাইয়ের মোট পাঁচটি জায়গায় অভিযান চালান তদন্তকারীরা।
CBI registers case against former Chief Manager of JNPA and private persons/entities for alleged Corruption and causing loss of over Rs. 800 Crores to Jawaharlal Nehru Port Authority pic.twitter.com/zSUZir6V9w
— Central Bureau of Investigation (India) (@CBIHeadquarters) June 20, 2025
এক তদন্তকারী সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম NDTV-কে জানিয়েছে, তল্লাশি অভিযানে বন্দরে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের বেশ কিছু তথ্য, কয়েকটি ডিজিটাল ডিভাইস ও সরকারি আধিকারিকদের বিনিয়োগ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি তথ্য উদ্ধার হয়েছে।
কিন্তু এই অনিয়মের অভিযোগে কীভাবে নাম জড়াল ‘বিশ্বস্ত’ টাটা কোম্পানির? ২০১০ সালে ড্রেজিং সলিউশন নামক এক সংস্থার সঙ্গে ওই বন্দরের ড্রেজিং বা এক প্রকারের খনন সংক্রান্ত কাজ কীভাবে হবে, সেই নিয়ে ক্যাপিটাল ড্রেজিং প্রকল্পের আওতায় রিপোর্ট জমা করেছিল টাটা গোষ্ঠীর TCE। তারপর এই প্রকল্পে জুড়ে গিয়েছিল তাদের নাম। সেই থেকে ড্রেজিং প্রকল্পের দু’টি পর্যায়ের প্রোজেক্টেই পরামর্শ দাতা হিসাবে কাজ করেছিল তারা।
