PM Modi: ‘মানবতা ২.০’ কী? আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে ব্যাখ্যা প্রধানমন্ত্রীর – Bengali News | PM Narendra Modi led the International Yoga Day celebrations from Andhra Pradesh’s Visakhapatnam
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে বিশাখাপত্তনমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীImage Credit source: PTI
বিশাখাপত্তনম: যোগ সবার। গ্রাম থেকে শহর। বিশ্বের প্রত্যেক প্রান্তে মানুষ যোগকে নিজের জীবনের অঙ্গ করে নিয়েছে। শনিবার আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন বিশাখাপত্তমে ৫ লক্ষ মানুষের সঙ্গে তিনি যোগে অংশ নেন। বিশ্ব শান্তিতে যোগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিন বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হচ্ছে। ১১তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে বিশাখাপত্তনমে ২৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যোগে অংশ নেন ৫ লক্ষ মানুষ। আরকে বিচে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও যোগে অংশ নেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, রাজ্যপাল এস আব্দুল নাজির, উপমুখ্যমন্ত্রী পবন কল্যাণ এবং সেই রাজ্যের আইটি মন্ত্রী নারা লোকেশ।
সেখানেই এক অনুষ্ঠানে মানুষের জীবনে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ২০১৪ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরই ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণার জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘে আবেদন করে ভারত। সেকথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১১ বছর পর বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে যোগ। ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে পালনের জন্য ভারত প্রস্তাব দেওয়ার পরপরই বিশ্বের ১৭৫টি দেশ তা সাদরে গ্রহণ করে।”
এবছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের থিম হল ‘এক পৃথিবী ও এক স্বাস্থ্যের জন্য যোগ’। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যোগ হল জীবনের শৃঙ্খলা। একইসঙ্গে এটা একটা ব্যবস্থা যেটা আমাদের আমি থেকে আমরা করে। আমরা বিচ্ছিন্ন নই, আমরা প্রকৃতির অংশ।”
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
বিশ্বের একাধিক অঞ্চলে অশান্তির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এখন অস্থিরতা, চাপানউতোর চলছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের শান্তির দিশা দেয় যোগ।” যোগ জীবনের ‘পজ বটন’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, “এই পজ বটন মানুষের দরকার শ্বাস নিতে এবং ব্যালেন্সের জন্য। তারপর আবার পুরোদমে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আসুন এই যোগ দিবসকে আমরা মানবতা ২.০-র জন্য যোগ শুরুর দিন হিসেবে দেখি। যেখানে অভ্যন্তরীণ শান্তি আন্তর্জাতিক নীতি হয়ে উঠবে।”
