Study Tips: বইয়ের স্পর্শেই ঘুম পায়! মনোসংযোগ বাড়াতে রইল টিপস – Bengali News | Few Tips to Stop fallings asleep while studying
বইয়ের গন্ধই যেন ঘুমের ওষুধ। শিশু, কিশোর কিংবা যাঁরা হায়ার স্টাডি করছেন, এই সমস্যা অনেকেরই থাকে। মোবাইল ঘাঁটতে বা অন্য কোনও কাজের ক্ষেত্রে যেটা সহজ, বই খুলে বসলেই সেটা সবচেয়ে কঠিন হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে পড়াশোনায়। যা পরীক্ষার আগে খুবই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এর জন্য কয়েকটি বিষয়ে জোর দিতেই পারেন। এই টিপস যেমন ছাত্রদের জন্য় প্রযোজ্য তেমনই অভিভাবকদের জন্য়ও।
পড়ার সময় অ্যালার্ট থাকা, খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পড়ায় যাতে প্রভাব না পড়ে এর জন্য় পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমও প্রয়োজন। একটা রুটিন মেনে যদি চলা যায়, এই সমস্যা সহজেই মেটানো সম্ভব।
পড়াশোনার জন্য যেমন একটা নির্দিষ্ট রুটিন প্রয়োজন, তেমনই পরিবেশও। একটা শান্ত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন জায়গা। যেখানে মনসংযোগ করা সম্ভব। ঘুম কাটাতে বা তা যাতে পড়ায় ব্যাঘাত না ঘটায়, এর জন্য প্রয়োজনে জোরে জোরে পড়ার অভ্যাসও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
মনসংযোগ ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত ব্রেকও প্রয়োজন। অর্থাৎ টানা বইয়ে ডুব না দিয়ে ক্রিকেটে বোলিংয়ের মতো ছোট ছোট স্পেলে পড়া যেতেই পারে। তাতে লাভই হবে। পড়ার সময় যে শুধু মস্তিষ্কেই চাপ পড়ে তা নয়। শরীরও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জল এবং টুকটাক খাবারও খাওয়া প্রয়োজন। সেগুলি যেন খুব মশলাদার খাবার না হয়। আর শারীরিক কসরতও করা উচিত নিয়মিত। শরীর ফিট থাকলে মানসিক ভাবেও তরতাজা থাকা যাবে।
আরও একটা বিষয় মাথায় জরুরি। পড়ার সময় অতিরিক্ত কম্ফোর্ট জোনে না থাকাই ভালো। অনেকেই হেডফোন লাগিয়ে, গান শুনতে শুনতে পড়তে ভালোবাসেন। তাঁর কাছে মনে হতেই পারে এটাই সেরা অপশন। আদতে কিন্তু পড়ার চেয়ে বেশি ফোকাস গানেও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে লাভের চেয়ে আখেরে ক্ষতিই বেশি। অনেকেই শুধুমাত্র স্টাডি ল্যাম্প জ্বেলে পড়তে বসেন। ঘরের বাকি অংশ অন্ধকার। ঘরে পর্যাপ্ত আলো জ্বেলে পড়তে বসলে বেশ একটা ঝলমলে পরিবেশ থাকে। এতে ঘুম পাওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষীণ।
আরও একটা বিষয় ট্রাই করা যেতেই পারে, অনেক সময় একা পড়তে বসলে নানা ভাবনা মাথায় ঘোরে। গ্রুপ স্টাডির ক্ষেত্রে একটু আড্ডা, একটু পড়াশোনা, কোনও সাবজেক্ট নিয়ে আলোচনা। আখেরে লাভই হয়ে থাকে।