Malda: 'বাবা ফোন করে বলল আমাকে কোপাচ্ছে', আবারও মালদহ, তৃণমূল কর্মীকে রাস্তায় ফেলে এলোপাথাড়ি কোপ - Bengali News | Malda Attacked on TMC worker in Malda - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda: ‘বাবা ফোন করে বলল আমাকে কোপাচ্ছে’, আবারও মালদহ, তৃণমূল কর্মীকে রাস্তায় ফেলে এলোপাথাড়ি কোপ – Bengali News | Malda Attacked on TMC worker in Malda

Spread the love

আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীImage Credit source: TV9 Bangla

মালদহ: আবারও সেই মালদহ। এক তৃণমূল কর্মীকে প্রকাশ্যে এলোপাথাড়ি কোপের অভিযোগ। তিনি আবার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী। গোটা শরীরে একাধিক ধারাল অস্ত্রের কোপ মারার অভিযোগ। গুরুতর জখম পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী ওই তৃণমূল কর্মী মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি মালদহের কালিয়াচক থানার সুজাপুরে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত তৃণমূল কর্মীর নাম তৈফিক আলি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর বিয়াল্লিশের তৈফিকের বাড়ি সুজাপুর যোগী মোড় তুঁতপাড়ায়। তাঁর স্ত্রী সোনি বিবি সুজাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা। পরিবারের অভিযোগ, এই ঘটনার নেপথ্যে বেনু শেখ, রেনু শেখ এবং জাহাঙ্গির শেখ। তাঁরা প্রত্যেকেই তৃণমূল সমর্থক।

অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় তাঁরা রাস্তার ধারে গলির ভিতর দাঁড়িয়ে মদ্যপান করছিলেন।  তারই প্রতিবাদ করেছিলেন তৈফিক আলি। তা নিয়েই কথা কাটাকাটি। অভিযোগ, তার ফাঁকেই আচমকা ধারাল অস্ত্র দিয়ে তৈফিকের ওপর হামলা চালায় বেনু ও তার সঙ্গীরা। রাস্তায় ফেলে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকেন বলে অভিযোগ। পরে চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা চলে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। আহতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কালিয়াচক থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

আক্রান্তের ছেলে তৌফিক আলি বলেন, “আমার বাবা চা আনতে গিয়েছিল। কিছুক্ষণ পরই বাবা ফোন করে জানান, আমাকে কোপাচ্ছে। আমরা ফোন পেয়েই ছুটে যাই। তখন কাউকে দেখতে পাইনা। বাবা রক্তে মাখামাখি ছিল।”

উল্লেখ্য, রবিবারই মালদহে তৃণমূল নেতা অস্ত্র হাতে তোলাবাজির অভিযোগ সামনে আসে। সিসিটিভিতে দেখা যায়, কীভাবে বন্দুক হাতে দোকানে ঢুকে তোলাবাজি করেছেন তৃণমূল নেতা। তার আগেও দুলাল সরকার খুন ও তৎপর্তী পরিস্থিতিতে একাধিকবার আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল নেতা-কর্মী। দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *