Burdwan: ভোররাতে ঘর থেকে আসছিল গোঙানির শব্দ, ৯ বছরের ছেলেটার সঙ্গেই 'দাদা'কে ওই অবস্থায় দেখে থ্ পড়শিরা - Bengali News | Burdwan Minor and one of his brothers rescued from house covered in blood - 24 Ghanta Bangla News
Home

Burdwan: ভোররাতে ঘর থেকে আসছিল গোঙানির শব্দ, ৯ বছরের ছেলেটার সঙ্গেই ‘দাদা’কে ওই অবস্থায় দেখে থ্ পড়শিরা – Bengali News | Burdwan Minor and one of his brothers rescued from house covered in blood

Spread the love

বর্ধমান:  বাবা-মা নেই। দাদু কাছে বড় হয়ে ওঠা। কিন্তু পড়শি দাদা পেশায় খালাসি বাবুলালের সঙ্গে মেলামেশা ছিল ন’বছরের ছেলে প্রদীপের। রাতে তাঁর বাড়িতেই শুতে যেত। ভোররাতে হঠাৎ সেই বাবুলালের ঘর থেকেই গোঙানির শব্দ। পড়শিরা গিয়ে দেখেন ঘরের ভিতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে প্রদীপ। তার পেট ক্ষতবিক্ষত। অন্যদিকে ঘরের বাড়ি পড়ে রয়েছেন বাবুলাল। তিনিও ক্ষতবিক্ষত। দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে যান পড়শিরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে ভাতারের নতুনগ্রামের আদিবাসীর পাড়ায়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,  এক নাবালক ও এক যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করল পুলিশ। এই ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে রহস্যের দানা বেঁধেছে।রবিবার ভোরে ভাতারের নতুনগ্রামের আদিবাসীর পাড়ার বাসিন্দারা গোঙানির শব্দ পেয়ে বাবুলালের বাড়িতে গিয়ে দেখে ঘরের মধ্যে নাবালক প্রদীপ সরেন রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছে। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে পড়ে রয়েছে যুবক বাবুলাল হেমব্রম ।

গ্রামবাসীরা ভাতার থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে বাবুলাল হেমব্রম উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। পুলিশ যাওয়ার আগেই পাড়া পড়শিরা নাবালক প্রদীপকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার পেটে ছুরি চালানো হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক।

প্রদীপের বয়স ৯ বছর। তাঁর বাবা মা কেউ নেই। সে দাদুর কাছে থাকে। অন্যদিকে পেশায় ট্রাকের খালাসি বাবুলাল একাই থাকেন। তাঁরও বাবা মা কেউ নেই। প্রদীপের দাদু বান্ধব সরেন ও পড়শিরা জানান, প্রদীপ বাবুলালের সঙ্গে মেলামেশা করেন। রাতে বাবুলালের বাড়িতেই শুতে যেত প্রদীপ।

তবে অন্য প্রতিবেশীরা দাবি, “বাবুলাল আমাদের কাছে স্বীকার করেছে, প্রদীপকে ওই নিজেই ছুরি মেরেছে। যাতে তাকে কেউ সন্দেহ না করে সেই জন্য সে নিজের গায়েও ছুরি চালায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *