Fake voter issue: ‘অধরা’ নিউটন কী করে ভোটার হয়েছিলেন? উত্তর খুঁজছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন – Bengali News | How Newton Das’s name enrolled in voter list? State election commission seeks report
বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনে সামিল নিউটনImage Credit source: নিজস্ব চিত্র
কাকদ্বীপ: বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। তিনিই আবার কাকদ্বীপের ভোটার। সেই নিউটন দাসকে নিয়ে হইচই শুরু হতেই তাঁর বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতর থেকে প্রথম রিপোর্টও জমা পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা নির্বাচন দফতরে। জানা গিয়েছে, প্রথম রিপোর্টে সন্তুষ্ট নয় জেলা নির্বাচন দফতর। ফের বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে মহকুমাশাসকের কাছে।
বুধবার কাকদ্বীপের স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষনগরে নিউটনের দাদা তপন দাসের বাড়িতে যাবেন ওই বুথের ভোটার তালিকার সঙ্গে যুক্ত BLO (বুথ লেভেল অফিসার)। নিউটন সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট নেবেন তিনি। কত সালে নিউটন এ রাজ্যে এসেছিলেন? কত সালে ভোটার তালিকায় নাম উঠল? কোন আত্মীয়ের মাধ্যমে নাম উঠল? এইসব নিয়ে বিস্তারিত তথ্য নেবেন। জানা গিয়েছে, এই রিপোর্টের পরই নিউটনের ভোটার কার্ড নিয়ে তদন্ত শুরু করবে জেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি নিউটনের একটি ছবি ভাইরাল হতেই, তাঁকে ঘিরে শোরগোল শুরু হয়। ওই ভাইরাল ছবিতে দেখা যায়, কাঁধে লাঠি নিয়ে বাংলাদেশের কোটা বিরোধী আন্দোলনে সামিল নিউটন দাস। তবে কি নিউটন বাংলাদেশি নাগরিক? তাহলে কাকদ্বীপের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম উঠল কীভাবে? একের পর এক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা সামনে আসে। শাসকদলের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি দেবাশিস দাসের সঙ্গেও দেখা গিয়েছে এই ‘বাংলাদেশি’ নিউটনকে। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায়, নিউটনের জন্মদিন পালন করছেন শাসকদলের ছাত্র পরিষদের এই নেতা। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়।
এই খবরটিও পড়ুন
তারই মধ্যে নিউটনের দাদা তপন দাস বলেন, “চার বছর হল ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ নেই। ও এখানে থাকে না। এই বাংলায় পড়াশোনা করতে এসেছিল। তারপর আবার বাংলাদেশে চলে যায়। ও বাংলাদেশেরই ভোটার। কিন্তু এখানে কে কীভাবে ওকে ভোটার করা হয়েছে তা আমি জানি না।”
যেখানে নিউটনের দাদা বলছেন যে তাঁর ভাই বাংলাদেশের ভোটার, সেখানে ভোটার তালিকায় নিউটনের নাম উঠল কীভাবে? এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করার পরই রাজ্য নির্বাচন কমিশন বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।
