ছোলা, ঘুগনি-মুড়ি খেতেই বিপত্তি, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মাদ্রাসার ১০ পড়ুয়া - 24 Ghanta Bangla News
Home

ছোলা, ঘুগনি-মুড়ি খেতেই বিপত্তি, অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মাদ্রাসার ১০ পড়ুয়া

Spread the love

আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ল একটি মাদ্রাসার ১০ জন পড়ুয়া। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে একে-একে অসুস্থ হয়ে পড়ে এই ছাত্ররা। তাদের বমি, পেট ব্যথা থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। দ্রুত তাদের ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজনের স্যালাইনও চলেছে ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার গিলেবেড়িয়া গ্রামের মাদ্রাসার। এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায় এলাকায়। প্রশ্ন উঠেছে খাবারের মান নিয়ে।

আরও পড়ুন: খাদ্য়ে বিষক্রিয়া! মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি জাহ্নবী কাপুর, কেমন আছেন নায়িকা?

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গিয়েছে ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। এদিন পড়ুয়াদের ছোলা এবং ঘুগনি-মুড়ি খেতে দেওয়া হয়েছিল। আর সেই খাবার খাওয়ার পরেই প্রতিক্রিয়া শুরু হয় প্রথমে মাদ্রাসাতেই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়। পরে সমস্যা বাড়তে থাকে। সন্ধ্যার দিকে ছাত্রদের বমি, পেট ব্যাথা শুরু হয়। তখন তড়িঘড়ি তিনজনকে বিশ্বনাথপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাদের চিকিৎসা শুরু হয়। পরে আরও সাতজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদেরকেও ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রত্যেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ ছিল পেট ব্যথা, বমি, মাথা ঘোরা প্রভৃতি। অনেকের আবার জ্বর আসে। হাসপাতালে ভর্তি করার পর তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন পরের দিন অবধি হাসপাতালে ভর্তি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পড়ুয়ারা সুস্থ রয়েছে। নতুন করে মাদ্রাসায় আর কোনও ছাত্রের অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে মাদ্রাসা সূত্রে জানা যাচ্ছে।

মাদ্রাসার এক শিক্ষক জানান, সোমবার সকালে ছাত্রদের ছোলা, মুড়ি ও ঘুগনি খেতে দেওয়া হয়েছিল। সেই খাবার খাওয়ার পরে বেশ কয়েকজন ছাত্র অসুস্থ বোধ করে। প্রথমে মাদ্রাসাতেই প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। তবে সন্ধ্যার দিকে সমস্যা বাড়তে থাকে। তিনি জানান, সকালের ওই খাবারে কোনওভাবে বিষক্রিয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটে। তবে বর্তমানে সকলে সংকটমুক্ত। খাদ্যে বিষক্রিয়ার বিষয়টি জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রত্যেকেই বর্তমানে সুস্থ থাকলেও দুশ্চিন্তা কাটছে না অভিভাবকদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *