মৃত শ্রীদেবীর মুখে একটুকরো সোনা কেন দেওয়া হয়েছিল জানেন? – Bengali News | Why was a piece of gold kept in Sridevi’s mouth after her death?
শ্রীদেবীর মৃত্যু আজও অনেকের কাছেই রহস্য। ২০১৮ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের একটি বিলাসবহুল হোটেলের স্নানঘরে শ্রীদেবীর নিথর দেহ পাওয়া গিয়েছিল। বাথটবে ভেসে উঠেছিল তাঁর নিথর দেহ। বনি কাপুরের ভাই দাবি করেছিলেন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়ে বলিউডের প্রথম মহিলা সুপারস্টারের। তবে পরে মৃত্যুর কারণ যায় বদলে। যদিও বছর পাঁচেক পর সবটাই স্পষ্ট হয়ে যায়। শ্রীদেবীর মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে ঘোষমা করা হয়। তবে সেদিন গোটা দেশের অনুরাগীদের চেহারা গিয়েছিল বদলে। মুহূর্তে শোক নেমে এসেছিল গোটা দেশে। তাঁর শেষ যাত্রা যেন আজও সকলের চোখে জল এনে দেয়। সেই বেনারসি, লাল টিপ, মুখে হাসি। আর সেই ঠোঁটের ফাঁকেই ছিল একটুকরো সোনা।
জানেন শ্রীদেবীর ঠোঁটে কেন দেওয়া হয়েছিল এই সোনা? তিনি দক্ষিণভারতের মেয়ে। সেখানে প্রচলিত রয়েছে সধবা নারীদের মৃত্যুর পর তাঁদের মুখে সোনা দেওয়া হয়। সেই রীতি মেনেই এই কাজ করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, হিন্দুরীতি অনুসারে, শবদেহের পঞ্চদ্বারে শ্রেষ্ঠ ধাতু হিসেবে সোনা দেওয়ার প্রচলন রয়েছে।
সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল, বনি কাপুরই বা ঘরে ঢুকে কী দেখেছিলেন, তা নিয়ে আজও মানুষের মনে প্রশ্ন বর্তমান। সেদিন বনি চেয়েছিলেন স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দিতে। সেই মতোই মুম্বই ফিরে এলেও আবার দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। ইচ্ছে ছিল স্ত্রীকে নিয়ে খেতে বের হবেন। দুবাইয়ের সময় অনুযায়ী বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় শ্রীদেবীর হোটেলের ঘরে হাজির হন বনি। সেখানে ১৫ মিনিট কথা হয় তাঁদের। ডিনারের প্ল্যান জানান পর বেশ খুশিই ছিলেন শ্রীদেবী, পরবর্তীতে জানান বনি কাপুর। তিনি জানিয়েছিলেন এর পর নাকি স্নানঘরে তৈরি হতে চলে যান শ্রীদেবী।
বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর স্নানঘরের দরজায় ঠেলা দেন বনি। ডাকাডাকিও করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনও সাড়াশব্দ আসে না। দুবাইয়ের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম মারফৎ খবর, এর পরেই নাকি দরজা ভেঙে ঢোকেন বনি। গিয়ে যা দেখেন তা স্তব্ধ করে দেয় তামাম বিশ্বকে। বাথটবে ভাসছে শ্রীদেবীর নিথর দেহ। তিনি সাড়া দিচ্ছে না। বনি ফোন করেন তাঁর এক বন্ধুকে। কিন্তু তিনি এসেও লাভ হয়নি। এর পরেই খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ খবর দেয় চিকিৎসককে। চিকিৎসক হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আজও অনেকেই যেন বিশ্বাস করে উঠতে পারেন না, শ্রীদেবী আর নেই।