STF: ঋণের জালে জড়িয়েই কি… ধর্মতলায় STF-র জালে কার্তুজ সহ রামকৃষ্ণ আদতে বিজেপি নেতা? সামনে এল পরিচয় – Bengali News | Stf Smuggling cartridges while trapped in a debt trap? Allegations of framing Ramakrishna’s family
বর্ধমান: রবিবার সন্ধ্যায় ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে এসটিএফের জালে প্রায় ১২০টি কার্তুজ-সহ ধরা পড়ে এক যুবক। জেরায় জানা যায়, তাঁর নাম রামকৃষ্ণ, তিনি বর্ধমানের বাসিন্দা। রাত পোহাতেই সামনে এল তাঁর পরিচয়। এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হওয়া রামকৃষ্ণ মাঝি আদতে কেতুগ্রামের বাসিন্দা। তিনি বিজেপির প্রাক্তন কার্যকরী বুথ সভাপতি। পেশায় গাড়িচালক। তাঁর নিজের ছোট হাতি গাড়ি রয়েছে।
রবিবার রাতে তাঁর গ্রেফতারির খবর পৌঁছয় বাড়িতে। যা শুনে হতবাক পরিবারের সদস্যরা। এ বিষয়ে পরিবারের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, কোনওদিন কোন অবৈধ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না রামকৃষ্ণ। তবে তাঁর যে ছোট হাতি গাড়ি রয়েছে সেটি লোনে কেনা। সেই লোনের টাকা সম্প্রতি তিনি জোগাড় করতে পারছিলেন না। বিভিন্ন জায়গায় তিনি পাঁচ হাজার টাকার জন্য ঘুরছিলেন। হয়তো এই পাঁচ হাজার টাকার প্রলোভনেই তাঁকে কেউ ফাঁসিয়েছে। রামকৃষ্ণের স্ত্রী বলছেন, “হয়তো এই পাঁচ হাজার টাকার লোভ দেখিয়েছিল কেউ। কারণ ওর টাকাটা দরকার ছিল। চেয়েছিল অনেকের কাছে, পায়নি।”
অন্যদিকে এলাকার তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, রামকৃষ্ণ মাঝি তাঁর গাড়িতে মাদকদ্রব্য পাঁচারে যুক্ত ছিলেন। এমনকি তাঁর বাড়িতে বিভিন্ন সময়ে অচেনা মানুষজনের আনাগোনাও ছিল বলে প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন। বিভিন্ন বার পিস্তল হাতে তাঁকে গ্রাম দাপাতে দেখা গিয়েছে বলেও অভিযোগ। রামকৃষ্ণের বিরুদ্ধে আগে একটি ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে কেতুগ্রাম থানায়। যে ঘটনায় রামকৃষ্ণ জেলও খেটেছিলেন।
তৃণমূলের বুথ সভাপতি অনুপ ঘোষ বলেন, “রামকৃষ্ণ বিপুল পরিমাণ কার্তুজ নিয়ে ধরা পড়েছে। ওর কাজই অস্ত্র পাচার। ও এখানকার বিজেপির যুব মোর্চার কার্যকরী সভাপতি। এটা বিজেপির অস্বীকার করার জায়গা নেই। গাড়িতে গাঁজা সাপ্লাইও করে।” যদিও বিজেপির বক্তব্য,রামকৃষ্ণ মাঝি বিজেপি দলের সঙ্গে যুক্ত নন।
