Mohammed Shami: ইংল্যান্ড সফরে ব্রাত্য! বিরাট-রোহিতের মতো অবসরের পথে হাঁটতে হবে বাংলার পেসার সামিকে? – Bengali News | Ajit Agarkar what says about Mohammed Shami’s exclusion from India Tour of England
Mohammed Shami: ইংল্যান্ড সফরে ব্রাত্য! বিরাট-রোহিতের মতো অবসরের পথে হাঁটতে হবে বাংলার পেসার সামিকে?Image Credit source: PTI
কলকাতা: একে একে সিনিয়রদের সরে যেতে হবে। তাঁদের জায়গা নেবেন নতুনরা। অঘোষিত এই রীতিই যেন মেনে নিয়েছেন রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি। টেস্ট টিম থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। রো-কোর আগে আবার ছুটি নিয়েছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। বাকি শুধু রবীন্দ্র জাডেজা। স্পিনার-অলরাউন্ডারকে ইংল্যান্ড সফরে দলে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আর এক সিনিয়রকে বিবেচনা করা হল না। তিনি আর কেউ নন, মহম্মদ সামি। বাংলার পেসারের দীর্ঘ চোটের রেকর্ড, সেই অর্থে ফর্মে না থাকা, বয়স বাড়া— এমন কিছু গিয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ইংল্যান্ড সফরের দল থেকে বাদ পড়ার পর একটাই প্রশ্ন ঘুরেফিরে বেড়াচ্ছে, সামিরও কি অবসরের সময় হয়ে গিয়েছে?
২০২৩ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপে চোট পেয়েছিলেন সামি। ইঞ্জেকশন নিয়েই খেলে গিয়েছেন টানা। ফাইনালের পর তাঁর চোট প্রকাশ্যে আসে। গোড়ালির চোট মাঠের বাইরে ছিটকে অনেকদিনের জন্য দিয়েছিল সামিকে। অস্ত্রোপচার, বারবার রিহ্যাব করার পর আবার ক্রিকেটে ফিরেছিলেন। সামির চোট প্রবণতার কারণে বোর্ড তাঁকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায়নি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিমে ফেরেন। আর এক পেসার বুমরা ছিলেন না। কিন্তু তাঁর অভাব ঢেকে দিয়েছিলেন সামি। ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন তিনি। তা সত্ত্বেও ইংল্যান্ড সফরের দলে বিবেচনা করা হল না তাঁকে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে আইপিএলে খেলছেন এই মরসুমে। কিন্তু সামির ফর্মে সন্তুষ্ট নয় বোর্ড। শুধু তাই নয়, দিনে ১০ ওভার বল করার মতো জায়গায় আছেন কিনা বাংলার পেসার, তাও জানা নেই।
দল নির্বাচনের আগে কিন্তু সামি বলেছিলেন, ইংল্যান্ডে তাঁকে আর বুমরাকে লাগবে ভারতীয় টিমের। সামির কথায়, ‘ইংল্যান্ড সফরের জন্য ভারত কী কম্বিনেশন তৈরি করে, সেটা দেখার অপেক্ষায় রইলাম। আমার আর বুমরার টিমে থাকাটা জরুরি। আমি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। স্ট্রেনথ ট্রেনিং করছি। নিয়মিত প্র্যাক্টিস সেশনগুলোয় যাচ্ছি। নেটে যথেষ্ট বলও করছি। তবে লাল বলের জন্য ওয়ার্কলোড আরও বাড়াতে হবে।’
সামির আবেদন কিন্তু শুনলেন না নির্বাচকরা। নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান অজিত আগরকর দল নির্বাচনের পর সামিকে বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর কথায়, ‘‘গত কয়েক মাসে প্রচুর চোটে ভুগেছে। আমাদের মনে হয়নি, ও পাঁচ ম্যাচ খেলার মতো জায়গায় রয়েছে। আশা করেছিলাম, কয়েক টেস্ট হলেও পাব। কিন্তু ওর মতো বোলারকে না পাওয়া খুবই কষ্টের।’
২০১৩ সালে টেস্ট অভিষেক। ৬৫টা টেস্টে ২২৯টা উইকেট। গত ১০ বছরে বিদেশের মাটিতে ভারতের সেরা পেস বোলিং অ্যাটাকের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন তিনি। সেই সামিকে নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে একটাই, সামিরও কি টেস্ট ফর্ম্যাট থেকে সরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে? উত্তর দেবে ভবিষ্যৎ।