গাজোল হাসপাতাল থেকে গায়েব শিশু, স্থানীয়দের চেষ্টায় উদ্ধার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই - 24 Ghanta Bangla News
Home

গাজোল হাসপাতাল থেকে গায়েব শিশু, স্থানীয়দের চেষ্টায় উদ্ধার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই

Spread the love

শিশু চুরিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মালদার গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। তবে পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে উদ্ধার হল শিশুটি। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মহিলাকে আটক করেছে গাজোল থানার পুলিশ। এই ঘটনায় রবিবার সকালে হাসপাতালে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন রোগীর আত্মীয়রা। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ।

জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে শিশুপুত্রের জন্ম দেন হাসি সাহা নামে এক মহিলা। পুরাতন মালদার বাসিন্দা ওই বধূকে রবিবার হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়ার কথা ছিল। ছুটির কাগজ তৈরি করতে হাসিদেবী হাসপাতালের সামনে একটি দোকানে কিছু কাগজের ফটোকপি করতে আসেন। সদ্যোজাতকে দেখভাল করতে দিয়ে আসেন ওয়ার্ডে থাকা এক মহিলাকে। কাজ সেরে ওয়ার্ডে ফিরে তিনি দেখেন শিশুপুত্রসহ গায়েব সেই মহিলা। সঙ্গে সঙ্গে শোরগোল পড়ে যায় গোটা হাসপাতালে। হাসপাতাল ও তার আসেপাশে মহিলার খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু কোথাও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছয় পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় টহলরত পুলিশকর্মীদের বিষয়টি জানানো হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক পরে হাসপাতাল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বেলডাঙি এলাকা থেকে শিশুপুত্রসহ ওই মহিলার খোঁজ মেলে। তাঁকে আটক করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অভিযুক্তকে দেখেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন হাসপাতালে উপস্থিত রোগীর আত্মীয়রা। অভিযুক্ত মহিলাকে রীতিমতো মারতে তেড়ে যান তাঁরা। কোনওক্রমে অভিযুক্ত মহিলাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। শিশুটিকে তুলে দেওয়া হয় মায়ের কোলে।

জানা গিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম প্রিয়া পাল। গাজোল হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ঘোরাঘুরি করতেন তিনি। প্রসূতিদের সঙ্গে ভাব জমাতেন। সেই সুযোগেই হাসিদেবীর বিশ্বাস অর্জন করেন তিনি। এর পর শিশুপুত্রকে চুরি করেন তিনি। কিন্তু হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে একজন বহিরাগত কী করে ইচ্ছামতো ঢুকে পড়লেন সেই প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে প্রসূতি ও সদ্যোজাতদের নিরাপত্তা নিয়ে।

হাসপাতালের সুপার অঞ্জন রায় বলেন, এরকম ঘটনা এই প্রথম ঘটল। আমরা প্রসূতি বিভাগের নিরাপত্তা বাড়াব। হাসপাতালে পাঁচিল দেব। যাতে ইচ্ছা মতো যে কেউ হাসপাতালে ঢুকতে না পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *