পরিচয়পত্র ছাড়া সেনার পোশাক বিক্রি করলেই পদক্ষেপ, বিক্রেতাদের সতর্ক করল পুলিশ - 24 Ghanta Bangla News
Home

পরিচয়পত্র ছাড়া সেনার পোশাক বিক্রি করলেই পদক্ষেপ, বিক্রেতাদের সতর্ক করল পুলিশ

Spread the love

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন। সেনার পোশাক পরে বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। তারপরেই খোলা বাজারে সেনার পোশাক বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল কেন্দ্র। এনিয়ে পুরনো নিয়মকে আরও জোরদার করা হয়েছিল। তারওপর ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে এখন উচ্চ সতর্কতা বিশেষ করে সীমান্ত এলাকায় এবং গুরুত্বপুর্ণ ও জনবহুল জায়গাগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি রয়েছে। সেই আবহে নিয়ম না মেনেই বাংলার বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে সেনার পোশাক। বিশেষ করে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন দোকানে সেনার পোশাক বিক্রি হচ্ছে। এবার এনিয়ে দোকান মালিকদের সতর্ক করল পুলিশ।

আরও পড়ুন: যাদবপুরে সেনার পোশাকে ঢুকে পড়া সংগঠনের প্রধানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ

জানা গিয়েছে, আজ শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় জেলা পুলিশ। মূলত যেসব দর্জি ও দোকান মালিকরা সেনার পোশাক তৈরি করেন এবং বিক্রি করেন সেই দোকানগুলিতে অভিযান চালায় পুলিশ। এরপর ওই সব দর্জি ও দোকানমালিকদের সেনাবাহিনী বা পুলিশের পোশাক খোলাবাজারে বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, যারা পোশাক কিনতে আসবেন বা তৈরি করতে আসবেন যেন তাঁদের পরিচয়পত্র দেখা হয়। পরিচয়পত্র না থাকলে বাহিনীর পোশাক তৈরি বা বিক্রি করা যাবে না। এর পাশাপাশি বাহিনীর সদস্য ছাড়া অন্য কোনও ব্যক্তি সেনাবাহিনীর পোশাক পরে বিভ্রান্তি তৈরি করলে তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।

প্রসঙ্গত, এদিন পোশাক তৈরির দোকানে অভিযান চালানোর ভারত পাক উত্তেজনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় টহলদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। এবিষয়ে জেলার পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, কোচবিহার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রতিটি বড়বড় সেতুতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এছাড়াও, জেলা জুড়ে গুরুত্বপুর্ণ জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, শুধু কোচবিহার নয়, জলপাইগুড়ি, নদিয়া জেলা এবং অন্যান্য জায়গাতেও নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেনার পোশাক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *