সুচিত্রার খোলা পিঠে আচমকা চুমু খেলেন ধর্মেন্দ্র! নায়কের এমন কীর্তিতে মহানায়িকা যা করেছিলেন তা অকল্পনীয় – Bengali News | Unknown Story of Suchitra Sen and Dharmendra on Kissing
‘আমাকে টাচ করবে না!’ সপ্তপদী ছবিতে সুচিত্রার এই সংলাপ শুধু সিনেমার জন্য নয়, সুচিত্রা বাস্তবেও ‘নো টাচ’ পলিসি মেনে চলতেন। অভিনয় করার সময় বা বাস্তবে তাঁকে মহিলা বা পুরুষ কেউই বিনা অনুমতি ছুঁতে পারত না। এমনকী, ছবির শুটিংয়ের সময়, সুচিত্রা অনুমতি দিলে, তবেই নায়ক দৃশ্যের খাতিরে তাঁকে ছুঁতে পারতেন। ‘নো টাচ’ নিয়মের ব্য়াপারে সুচিত্রা ছিলেন খুবই কড়া। কিন্তু সুচিত্রার এই কড়া নিয়মকে এক নিমেষে ধূলিসাৎ করে দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্র!
সময়টা ছয়ের দশক। ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে জুটি বেঁধে মমতা ছবির শুটিং করছেন সুচিত্রা সেন। সুপারহিট বাংলা ছবি উত্তর-ফাল্গুনীর হিন্দি রিমেক ছিল মমতা। এই ছবির শুটিংয়েই বিস্ফোরক কাণ্ড ঘটিয়ে বসেন ধর্মেন্দ্র।
সেই সময়ের এক বিনোদনমূলক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মমতা ছবির শুটিংয়ে একটি দৃশ্য ক্য়ামেরাবন্দি করছিলেন পরিচালক অসিত সেন। একটি পার্টির দৃশ্য শুট হচ্ছিল। সুচিত্রার পরনে শাড়ি, গলায় সাদা মুক্তোর মালা। শুটিং ফ্লোরের সবার নজর গিয়ে পড়েছিল সুচিত্রার দিকেই। ঠিক সেই সময়ই ফ্লোরে এন্ট্রি নেন ধর্মেন্দ্র। সুচিত্রার ঠিক পিছনে গিয়ে আচমকা তাঁর খোলা পিঠে ঠোঁট রাখেন! ধর্মেন্দ্রর এমন ব্যবহারে চমকে উঠেছিলেন সুচিত্রা। সঙ্গে সঙ্গেই ফ্লোর থেকে বেরিয়ে যান।
এই খবরটিও পড়ুন
জানা যায়, ধর্মেন্দ্র যে এমনটা করবেন তা একেবারেই চিত্রনাট্যে ছিল না। এমনকী, পরিচালক ও সুচিত্রাও জানতেন না ধর্মেন্দ্র যে এমনটা করবেন। ব্যস, সেই কারণেই রেগে যান মহানায়িকা। শোনা যায়, এই ঘটনার পরে পরিচালক অসিত সেনকে স্পষ্ট সুচিত্রা জানিয়ে ছিলেন, তিনি আর ছবিটি করবেন না। এমনকী, ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। শেষমেশ, ধর্মেন্দ্র ক্ষমা চান সুচিত্রার কাছে। ১৯৬৩ সালে মুক্তি পায় মমতা। সুপারহিট হয়েছিল এই ছবি। পুরনো কথা ভুলে এরপর জমে উঠেছিল সুচিত্রা ও ধর্মেন্দ্রর বন্ধত্ব।