Chandannagar: গোটা চন্দননগরকেই 'হেরিটেজ' ঘোষণার দাবি উঠল স্বাধীনতা দিবসে, এই দিনেই শেষ হয়েছিল ফরাসি শাসন - Bengali News | Chandandan should be announced as heritage, demand before independence day - 24 Ghanta Bangla News
Home

Chandannagar: গোটা চন্দননগরকেই ‘হেরিটেজ’ ঘোষণার দাবি উঠল স্বাধীনতা দিবসে, এই দিনেই শেষ হয়েছিল ফরাসি শাসন – Bengali News | Chandandan should be announced as heritage, demand before independence day

Spread the love

চন্দননগর (ফাইল ছবি)Image Credit source: Getty Image

চন্দননগর : আজ শুক্রবার চন্দননগরের ‘স্বাধীনতা দিবস’। ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগর ৭৫ বছর আগে এই দিনেই (২ মে) স্বাধীন হয়। তারই উদযাপন হচ্ছে চন্দননগরে। আর সেই দিনেই দাবি উঠল গোটা চন্দননগরকেই হেরিটেজ ঘোষণা করা হোক।

ভারতবর্ষ ব্রিটিশদের হাত থেকে স্বাধীন হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট। ওইদিনই দেশ জুড়ে পালন করা হয় স্বাধীনতা দিবস। তবে গোটা দেশ স্বাধীন হলেও চন্দননগর ছিল তখনও পরাধীন। ফরাসীদের দখলে ছিল এই শহর। ১৯৫০ সালের ২ মে ফরাসি শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে চন্দননগর। বহু ইতিহাসের সাক্ষী সেই শহর।

এদিন সেই শহরের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষ পূর্তি উদযাপন করতে চন্দননগর কলেজ এবং চন্দননগর কলেজের প্রাক্তনীদের অ্যালুমনি এসোসিয়েশন একত্রিত হয়। উপস্থিত ছিলেন চন্দননগরের মেয়র রাম চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়াল, কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিস সরকার, কলেজের বর্তমান এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা।

চন্দননগরকে হেরিটেজ নগরীর স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে। চিঠি পাঠিয়ে আবেদন করা হয়েছে হেরিটেজ কমিশনের চেয়ারম্যান আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে।

ইতিমধ্যেই চন্দননগর কলেজ বিল্ডিং-কে হেরিটেজ বিল্ডিং হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চন্দননগর স্ট্যান্ড। এই শহরের জগদ্ধাত্রী পুজোও বিখ্যাত। এই শহরের আলোকসজ্জা ব্যবহার হয় দেশের বিভিন্ন জায়গায়। চন্দননগর কলেজের হেরিটেজ ভবনে রয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার। তাই গোটা চন্দননগর শহরকে হেরিটেজ স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয় এদিন।

ফরাসি শাসন কলে অনেক বিপ্লবী ব্রিটিশদের চোখে ধুলো দিয়ে আত্মগোপন করে থাকতেন চন্দননগরের। তাঁদের স্মৃতি বিজড়িত বহু জিনিস আজও আছে অনেক মানুষের কাছে। সেগুলি মিউজিয়ামে রাখার জন্য বলা হয়েছে ওই বাসিন্দাদের।

এদিন দেবাশিস সরকার বলেন, গতকাল চন্দননগর কলেজ, শালবনির সরকারি ডিগিরী কলেজ এবং খিদিরপুর কলেজ একসঙ্গে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ-এর কাছে নতুন প্রজেক্ট প্রপোজাল জমা দিয়েছে। আনুমানিক প্রজেক্ট খরচ দু’কোটি টাকা। সেই হেরিটেজকে কেন্দ্র করে উপযুক্ত গবেষণার ক্ষেত্রে কলেজ মুখ্য ভূমিকা নেবে। সঙ্গে থাকবে চন্দননগর কলেজের আলুমনি অ্যাসোসিয়েশন এবং চন্দননগরের বিশিষ্ট নাগরিকরা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *