পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের হত্যার প্রতিবাদে পথে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস, ডাক মিছিলের - 24 Ghanta Bangla News
Home

পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের হত্যার প্রতিবাদে পথে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস, ডাক মিছিলের

Spread the love

পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডে গোটা দেশ কেঁপে উঠেছে। পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন এই হামলা চালিয়েছে বলে খবর। পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত হচ্ছে ভারত বলে সূত্রের খবর। যদিও একের পর এক প্রাণ গিয়ে এখন গোটা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনা রীতিমতো ভারত সরকারের ব্যর্থতা বলে নানা মহল থেকে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে মোমবাতি মিছিলের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই সিপিএম প্রত্যেক জেলায় গতকাল থেকেই প্রতিবাদ মিছিল করতে শুরু করে।

এবার পরিস্থিতি যে পাল্টাবে সেটা আগেই বোঝা গিয়েছিল। এই হামলার ঘটনায় মৃত ২৬ জনের মধ্যে তিনজন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। আর ২৫ জন ভারতীয় নাগরিক। একজন বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে বলে ভারত সরকারের বক্তব্য। বুধবার রাতে বিমানে করে কলকাতায় পৌঁছেছে তিনটি মৃতদেহ। তাঁদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। এবার এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসও মনে করে, ওটা সেনাবাহিনীর জায়গা হওয়া সত্ত্বেও সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা এত ঢিলেঢালা ছিল কেমন করে?‌ এটা ভারত সরকারের ব্যর্থতা বলেই মনে করে ঘাসফুল শিবির।

আরও পড়ুন:‌ চাকরিহারাদের আন্দোলনে ভাটা পড়েছে, সংখ্যা কমতে শুরু করেছে, ঝাঁঝ কমল কেন?‌

বাংলার তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনটি মৃতদেহ এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের রাজ্যে ফেরাতে সবরকম ব্যবস্থা করে দেয় রাজ্য সরকার। এই গোটা পরিস্থিতির তদারকি করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সবরকমভাবে মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারই সঙ্গে এই আবহে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে ও মৃতদের আত্মার শান্তি কামনায় এবার রাস্তায় নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ বৃহস্পতিবার রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় দলের কর্মী–সমর্থকরা রাস্তায় নেমে মৌন মোমবাতি মিছিল করবেন।

পহেলগাঁওয়ের ঘটনায় ভারত সরকার সরাসরি পাঁচটি পদক্ষেপ করেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। জলচুক্তি বাতিল, ভিসা বন্ধ, দূতাবাসের কর্মীদের ফিরিয়ে নেওয়া, এখানে থাকা পাকিস্তানের সদস্যদের ফিরে যেতে বলা এবং আটারি সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাতে পাকিস্তানের সামান্য সমস্যা হলেও বিরাট কোনও প্রভাব পড়বে না বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ পাকিস্তানকে পিছন থেকে সাহায্য করবে চিন এবং বাংলাদেশ। এই আবহে গোটা ঘটনাটি নিয়ে নিন্দায় সরব হয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই হামলার নিন্দা করেছেন। আজ পথে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *