'মুর্শিদাবাদে ঘুরে যান, গঙ্গার ধারে কবিতা লিখবেন' মমতাকে খোঁচা, আর কী বললেন অধীর?, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘মুর্শিদাবাদে ঘুরে যান, গঙ্গার ধারে কবিতা লিখবেন’ মমতাকে খোঁচা, আর কী বললেন অধীর?, বাংলার মুখ

Spread the love

নিজের জেলায় এত বড় অশান্তি। দিল্লিতে ছিলেন। ছুটে এসেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। সবরকমভাবে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন অধীর চৌধুরী। আহত ব্যক্তিদের দেখতে দ্রুত গিয়েছেন হাসপাতালে। সেখান থেকে বেরিয়ে আহতদের নিদারুন কষ্টের কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।

অধীর বলেন, গুলি খাওয়া তিনজনকে দেখলাম। বসতে পারছেনা, শুতে পারছে না। দেখা যাচ্ছে না। তাদের প্রচন্ড কষ্টের কথা তুলে ধরেন তিনি।

অন্যদিকে সাংবাদিক বৈঠকে অধীর বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে একহাত নেন। তিনি বলেন, সবাই বলছেন মুর্শিদাবাদ, মুর্শিদাবাদ, মুর্শিদাবাদ। যেন মুর্শিদাবাদ আফগানিস্তান হয়ে গিয়েছে । তা নয়। বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী আপনি আসুন। এখানে ভিজিট করুন। আপনি তো ঘুরতে ভালোবাসেন। গঙ্গার ধারে কবিতা লিখবেন। আপনার প্রতিনিধিরা হাথরসে যায়, মণিপুরে যায় জঙ্গিপুরে আসতে অসুবিধা কোথায়? ….বড় খোঁচা দিলেন অধীর চৌধুরী।

তবে এর জবাবও দিয়েছেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, মুখ্য়মন্ত্রী সময় হলে নিশ্চয়ই আসবেন। মুখ্যমন্ত্রী যে কোনও দুর্গত পরিবারের পাশে থাকেন। এর আগে জঙ্গিপুরে কয়েকজন শ্রমিক কাশ্মীরে সম্ভবত মারা গিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে মুখ্য়মন্ত্রী, পুরো পরিবারের পাশে তৃণমূল ছিল। আগামী দিনে মুখ্য়মন্ত্রী নিশ্চয়ই আসবেন। তবে যারা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে যাতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয় সেকারণে আবেদন করছি। জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক।

মুর্শিদাবাদে এখনও অশান্তি পুরোপুরি মিটে গিয়েছে এমনটা বলা যাবে না। খোদ তৃণমূলের নেতারাই এমন কথা বলছেন। সাধারণ মানুষের চোখে মুখে আতঙ্ক। কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন তা তাঁরা বুঝতে পারছেন না। অনেকেই ঘর ছাড়া। আশ্রয় নিয়েছেন পাশের জেলা মালদায়। কিন্তু ওয়াকফ আইনের সঙ্গে সেই আক্রান্তদের সম্পর্ক কোথায়? কেন তাঁদের ঘরছাড়া হতে হবে? নিজের জেলায় শান্তিতে কেন তাঁরা থাকতে পারবেন না? এই প্রশ্নটা উঠছে সবার আগে।

তবে ইতিমধ্য়েই এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী টহল দিচ্ছে। পুলিশও ধরপাকড় শুরু করেছে। নতুন করে যাতে অশান্তি না হয় সেটা দেখা হচ্ছে। পুলিশও বিভিন্ন জায়গায় নজরদারি চালাচ্ছ। তবে এত বড় অশান্তি হল কেন পুলিশের কাছে আগাম খবর গেল না? কেন পুলিশ আগাম সতর্ক হল না? এতজন মানুষ জমায়েত হয়ে গেলেন সেটা কি আচমকা সম্ভব? পরিকল্পনা যদি আগাম হয়ে থাকে তবে পুলিশ কেন আগাম সতর্ক হয়ে ব্যবস্থা নিল না?

 

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *