গুজব ভয়ঙ্কর! বিজন সেতু থেকে মুর্শিদাবাদ, গুজব ছড়ায় কারা? ব্লক হল ১০৯৩ অ্যাকাউন্ট, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

গুজব ভয়ঙ্কর! বিজন সেতু থেকে মুর্শিদাবাদ, গুজব ছড়ায় কারা? ব্লক হল ১০৯৩ অ্যাকাউন্ট, বাংলার মুখ

Spread the love

ইতিমধ্য়েই একাধিক ফেক ছবিকে চিহ্নিত করেছে রাজ্য পুলিশ। মুর্শিদাবাদের হিংসার নাম করে এমন কিছু ছবি ছড়ানো হয়েছিল সোশ্য়াল মিডিয়ায় যা মুর্শিদাবাদেরই নয়। এমনকী কিছু ছবি কেবলমাত্র উসকানি দেওয়ার জন্য ছড়ানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে পুলিশ একাধিক ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্য পুলিশ ইতিমধ্য়েই ১০৯৩টি সোশ্য়াল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দিয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ । পুলিশের তরফে বার বার আবেদন জানানো হয়েছে, গুজবে কান দেবেন না। তারপরেও কি গুজবের স্রোত কমছে? তবে আবেদন করা হচ্ছে, গুজব ছড়ালেই কড়া ব্যবস্থা।

আসলে বাম জমানা থেকে তৃণমূলের জমানা! বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্য়েও।

গুজব বড় ভয়ঙ্কর। 

একাধিক পোস্ট ভিন রাজ্য থেকে করা হয়েছিল এমনটাও জানা গিয়েছে। মূলত সেই পোস্টের মাধ্য়মে উসকানি দেওয়া হয়েছিল হিংসায়?

 

তবে এই গুজব কতটা ভয়াবহ হতে পারে সেই প্রসঙ্গে অনেকের মনে পড়ে যাচ্ছে বিজন সেতুতে আনন্দমার্গী হত্য়ার প্রসঙ্গ। ফিরে দেখা যাক সেই ঘটনা।

৩০শে এপ্রিল ১৯৮২ সাল। কলকাতার বিজন সেতুতে ১৭জন সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনীকে পুড়িয়ে হত্য়া করা হয়েছিল। আর তার আগে অত্য়ন্ত কৌশলে ছড়ানো হয়েছিল ছেলেধরা গুজব। বাম আমলের অত্যন্ত ঘৃণ্য হত্য়াকাণ্ড। প্রকাশ্য দিবালোকে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড।

২০২২ সালে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছিলেন, ২০১২ সালে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাম সরকার সিঙ্গল মেম্বার জুডিশিয়াল কমিশন তৈরি করেছিল। কিন্তু বিচার মেলেনি।

সম্প্রতি ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল মুর্শিদাবাদে হিংসার পেছনে একটা গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে জনে জনে রটিয়ে দেওয়া হয়েছিল একজন প্রতিবাদকারী আহত হয়েছেন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে। কার্যত ঝড়ের মতো সেই গুজবকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর সংঘর্ষ মারাত্মক আকার নেয়।

ওই প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে যখন বিক্ষোভ চলছিল তখন আচমকাই এক প্রতিবাদকারী পড়ে যান। আর এরপরই শুরু হয় গুজব রটানো। এরপরই পুলিশের গাড়িতে হামলা চালাতে শুরু করে প্রতিবাদকারীরা।

একের পর এক পুলিশের গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তুমুল হিংসা ছড়াতে থাকে। একের পর এক দোকানে চলে ভাঙচুর। তুমুল অশান্তি ছড়াতে থাকে। আর সেই অশান্তির আগুনে পুড়ে খাক হয়ে গেল সুতি, ধুলিয়ানের একাধিক এলাকা।

সেই হিংসা থামাতে গিয়ে হিমসিম খায় পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মুর্শিদাবাদে হিংসা থামাতে নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হয়েছেন সাধারণ মানুষ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *