Abhishek Sharma: ৪ দিন ধুম জ্বর, মহাকাব্যিক ইনিংসের পর ‘চিরকুট-রহস্য’ ফাঁস করলেন অভিষেক শর্মা – Bengali News | After IPL ton vs PBKS Abhishek Sharma says that I was sick for four days, I had temperature
৪ দিন ধুম জ্বর, মহাকাব্যিক ইনিংসের পর ‘চিরকুট-রহস্য’ ফাঁস করলেন অভিষেক শর্মাImage Credit source: BCCI
কলকাতা: সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শাইনিং স্টার অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। চলতি আইপিএলে (IPL) তাঁর ব্যাটে চলছিল রানের খরা। একে ব্যাটে নেই রান, তার উপর জ্বর — সব মিলিয়ে চাপেই ছিলেন বছর চব্বিশের অভিষেক। অপেক্ষায় ছিলেন একটা ভালো ইনিংসের। তাঁর সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে শনি-রাতে। উপ্পলে ১৪১ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংস উপহার দিয়েছেন অভিষেক। ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পর অভিষেক জানান, গত ৪ দিন ধরে জ্বরে কাবু ছিলেন। একইসঙ্গে চিরকুট রহস্যও ফাঁস করেছেন অভিষেক।
আইপিএলের ইতিহাসে ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ব্যক্তিগত সর্বাধিক রানের রেকর্ড এ বার অভিষেক শর্মার ঝুলিতে। ৫৫ বলে অভিষেকের ১৪১ রানের ইনিংস সকলের মনে দাগ কেটেছে। আর বিশেষ নজর কেড়েছে সেঞ্চুরির পর তাঁর স্পেশাল সেলিব্রেশনের ছবি।
𝘼 𝙣𝙤𝙩𝙚-𝙬𝙤𝙧𝙩𝙝𝙮 𝙏𝙊𝙉 💯
A stunning maiden #TATAIPL century from Abhishek Sharma keeps #SRH on 🔝 in this chase 💪
Updates ▶ https://t.co/RTe7RlXDRq#TATAIPL | #SRHvPBKS | @SunRisers pic.twitter.com/ANgdm1n86w
— IndianPremierLeague (@IPL) April 12, 2025
হোম ম্যাচের আগে হায়দরাবাদ যে ছয় দিনের বিরতি পেয়েছিল, তার বেশিরভাগ সময়েই অভিষেক শর্মা জ্বরে ভুগছিলেন। শনি সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে মনে ঠিক করেছিলেন, যদি কিছু পারেন, দলের জন্য করবেন। ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পর অভিষেক বলেন, “সত্যি বলতে গেলে, আজ আমি এটা লিখেছি কারণ আমি সাধারণত ঘুম থেকে উঠে কিছু না কিছু লিখি। তাই, আজ আমার হঠাৎ মনে হল যে, আমি যদি আজ কিছু করি, তা হলে সেটা অরেঞ্জ আর্মির জন্য। আর ভাগ্যক্রমে, আজ আমার দিন ছিল।”
মা-বাবার উপস্থিতিতে আইপিএল কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে চোখে-মুখে খুশি ফুটে উঠেছিল অভিষেকের। নিজের সেঞ্চুরির জন্য অভিষেক বিশেষ করে যুবরাজ সিং ও সূর্যকুমার যাদবকেও কৃতিত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজের জ্বর নিয়ে অভিষেক বলেন, “সত্যি বলতে, আমি চার দিন অসুস্থ ছিলাম। আমার জ্বর ছিল। কিন্তু যুবরাজ সিং এবং সূর্যকুমারের মতো মানুষরা আমার চারপাশে যেভাবে ছিলেন, তাঁদের পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ তাঁরা আমার সঙ্গে ফোনে বরাবর যোগাযোগ রেখেছিলেন। তাঁদের বিশ্বাস ছিল, আমি পারব।”