রয়েছে বিকাশরঞ্জনের চেম্বারও, হাইকোর্ট লাগোয়া সেই ভবনই আগুনের গ্রাসে!, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

রয়েছে বিকাশরঞ্জনের চেম্বারও, হাইকোর্ট লাগোয়া সেই ভবনই আগুনের গ্রাসে!, বাংলার মুখ

একদিকে যখন চাকরিহারাদের মহামিছিল ও সংশোধিত ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদ আন্দোলনের জেরে কলকাতায় উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, ঠিক সেই আবহে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়াল কলকাতা হাইকোর্ট ও সংলগ্ন চত্বরে।

সংবাদমাধ্যমের হাতে আসে খবর অনুসারে, বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল, ২০২৫) কলকাতা হাইকোর্টের একেবারে পাশেই অবস্থিত বহু প্রাচীন টেম্পল চেম্বার্স ভবনে আগুন লেগে যায়। দিনের ব্যস্ত সময়ে এমন ঘটনায় রীতিমতো হুলুস্থূল পড়ে যায়। ভয়ে ওই ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন আইনজীবীরা।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, খুব সম্ভবত স্থানীয় কোনও খাবারের দোকান কিংবা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে। কারণ, প্রথমত – এই টেম্পল চেম্বার্সের নীচে, আশপাশে প্রচুর খাবারের দোকান রয়েছে। সেসব দোকানে এমনিতেই অগ্নিনির্বাপন বিধির বিশেষ তোয়াক্কা করা হয় না। দ্বিতীয়ত – পুরোনো এই ভবন ও তার আশপাশে একটু নজর দিলেই বিদ্যুতের অসংখ্য তারের ‘জাল’ চোখে পড়বে। সেক্ষেত্রে যেভাবেই আগুন লাগুক না, মুহূর্তে তা ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা গিয়েছে, এদিন টেম্পল চেম্বার্স ভবনে ঢোকার দরজার একেবারে সামনেই আগুন লাগে। সেখানে আবার দু’টি লিফ্ট রয়েছে। যার মধ্যে একটি মান্ধাতার আমলের। এবং অধিকাংশ সময়ে সেটি বন্ধই থাকে।

এদিন আগুন লাগার খবর পেলেও ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করতে গিয়ে রীতিমতো নাকাল হতে হয় দমকলকর্মীদের। কারণ, হাইকোর্ট সংলগ্ন এই এলাকায় কাজের দিনগুলিতে কার্যত হাঁটাচলা করাই দায়। পরপর সার দিয়ে দাঁড় করানো থাকে আইনজীবীদের গাড়ি। একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স, পুলিশের গাড়িও এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাবে। তার মধ্যে দিয়ে দমকলের ইঞ্জিন ঢোকানো কার্যত অসম্ভব।

প্রাথমিকভাবে স্থানীয় দোকানদার এবং ব্যবসায়ীরাই আগুন নেভানোর কাজে হাত দেন। শেষ পাওয়া খবর অনুসারে – পর্যায়ক্রমে দমকলের চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তবে, কোথাও কোনও পকেট ফায়ার রয়েছে কিনা, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, টেম্পল চেম্বার্স ভবনে একাধিক নামজাদা আইনজীবীর অফিস রয়েছে। যাঁদের মধ্যে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যও রয়েছেন। রয়েছে একাধি ল’ ফার্মের দফতর। ফলত, আগুন দ্রুত নেভাতে না পারলে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি পুড়ে খাক হয়ে যাতে পারে। তবে, এখনও পর্যন্ত অন্তত তেমন কোনও অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি। যদিও অগ্নিকাণ্ডের জেরে গোটা টেম্পল চেম্বার্স ভবনটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। তাতে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *