মমতার উপর ভরসা রাখুন, চাকরিহারাদের আবেদন ফিরহাদের, কী বললেন শুভেন্দু?, বাংলার মুখ
চাকরি গিয়েছে। যে শিক্ষক শিক্ষিকারা রোজ স্কুলে যেতেন তাঁরাই এখন আন্দোলনের রাস্তায়। কী করবেন সেটা বুঝতে পারছেন না। একেবারে দিশেহারা অবস্থা। সেই পরিস্থিতিতে কসবায় ডিআই অফিসের সামনে আন্দোলনে গিয়েছিলেন শিক্ষকরা। আর সেখানে গিয়ে লাঠিপেটা খেয়েছেন চাকরিহারা শিক্ষকরা।
এরপর কী বললেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম?
ফিরহাদ হাকিম বলেন, তাদের যাতে চাকরি থাকে সেটা দেখার দায় আমাদের। মুখ্য়মন্ত্রী যখন কথা দিয়েছেন নিশ্চিতভাবে কিছু ভেবেচিন্তে দিয়েছেন। আপনারা এত বেশি রাস্তায় এত বেশি বিক্ষোভ দেখিয়ে, যেহেতু কোর্টের আওতায় রয়েছে আমি বিবৃতি দিতে আসিনি, কিন্তু ভরসা রাখতে হবে মুখ্য়মন্ত্রীর উপর। বললেন ফিরহাদ হাকিম।
কিন্তু চাকরিহারাদের সঙ্গে সোমবার দেখা করেছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। আর বুধবার সেই চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকারা পুলিশের লাঠিপেটার মুখে পড়লেন। তাদের ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হল। তাঁদের লাথি মারা হল। এমনটাই দাবি চাকরিহারা শিক্ষকদের। এখানেই তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, আমাদের কেন নির্বিচারে লাঠিপেটা করা হবে?
সব মিলিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে এই লাঠিপেটা নিয়ে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, লাঠি লাথি মারা সরকার আর নেই দরকার। শিক্ষককে লাথি মারছে। ওই পুলিশটাকে তো সাসপেন্ড করা উচিত ছিল। উলটে মনোজ ভার্মা বলছেন ভিডিয়োটা পুরো দেখাচ্ছেন না। অল্প অংশে দেখাচ্ছেন। পুলিশমন্ত্রী আজ বের হননি কেন। উনি তো একটাই পোস্ট। বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট। কথায় কথায় বেরিয়ে তিনি নানা কথা বলেন, আর আজ বাজারটা খারাপ বলে মনোজ ভার্মাকে এগিয়ে দিয়েছেন। আজকে বাজার খারাপ। শিক্ষককে এভাবে লাঠিপেটা করছে আপনার পুলিশ। দাবি শুভেন্দুর।
কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু?
ডিআই অফিসে গেছিলেন কেন? সেদিন নেতাজি ইনডোরে মুখ্যমন্ত্রী ওই বার্তা দেওয়ার পর। ঘটনাটা দুর্ভাগ্যজনক, নিন্দাজনক এগুলো যেমন সত্যি, আবার এটাও সত্যি মুখ্যমন্ত্রী নেতাজি ইনডোরে মিটিংয়ের পর ওদের নেতৃস্থানীয়ের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। আমরা বলেছি, আমরা তাদের সর্বোতভাবে আইনি প্রক্রিয়ায় কী ভাবে যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি ফেরত দেওয়া যায় সেব্যাপারে একটা সুরাহার পথ আমরা খুব দ্রুত বার করব।…’ বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
তবে চাকরিহারা শিক্ষকদের দাবি, আমাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করা হয়েছে। আমাদের চাকরি নেই। আমরা নিরস্ত্র অবস্থায় এসেছিলাম। কিন্তু আমাদের উপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে।