দড়ি টানাটানি শুরু! সাতে কোন দিকে চাকরিহারারা? কালীঘাট চলোর ডাক দিল বিজেপি, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

দড়ি টানাটানি শুরু! সাতে কোন দিকে চাকরিহারারা? কালীঘাট চলোর ডাক দিল বিজেপি, বাংলার মুখ

Spread the love

শুরু হয়ে গেল দড়িটানাটানি। চাকরিহারা শিক্ষকরা কাদের সঙ্গে থাকবেন? বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে যাবেন নেতাজি ইন্ডোরে। তবে কীভাবে পিছিয়ে থাকবেন বিরোধীরা। বিশেষত বিজেপি। এবার কালীঘাট চলোর ডাক দিল বিজেপি।

আগামী ৭ এপ্রিল সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে যোগ্য চাকরিহারাদের সভায় যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। নিজে মুখেই নবান্ন থেকে সেকথা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। আর একইদিনে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিচ্ছে বিজেপিও। বিজেপির যুব মোর্চাও একই দিনে আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। 

ওই একই দিনে কালীঘাট চলোর ডাক দিয়েছে বিজেপির যুব মোর্চা। কলকাতায় মিছিল হবে তাদের। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় যখন যোগ্য চাকরিহারাদের কথা শুনতে যাবেন নেতাজি ইন্ডোরে তখন কালীঘাট চলো কর্মসূচিতে থাকবেন বিজেপির নেতা কর্মীরা।  

ডিপ্রাউভড টিচার অ্যাসোসিয়েশন। তাঁরা নেতাজি ইন্ডোর বুক করেছেন। আমি ৭ তারিখ ১২টা ১৫ নাগাদ যাব। তাঁদের কথা শুনতে যাব। নবান্ন থেকে বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। 

এনিয়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ৭ তারিখ চোর মমতার স্লোগানে এই বাংলাকে ভরিয়ে দেব। 

বিজেপির যুব মোর্চার ডাকে সেদিনই কলকাতায় মিছিল হবে। 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একদিকে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে পড়েছে তৃণমূল। গোটা বিষয়টি নিয়ে যাতে ক্ষোভের সঞ্চার না হয়, ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জেরে নানা কৌশল নিচ্ছে শাসকদল। ইতিমধ্য়েই বিজেপি ও সিপিএমের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। 

এদিকে বিজেপিও ইতিমধ্য়েই রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। জেলার জেলায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। চাকরিহারাদের পাশে দাঁড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে বিজেপি। সেই সঙ্গেই শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভকে উসকে দেওয়ার সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছে বিরোধী শিবির। 

শুভেন্দু বলেন, আমরা যোগ্যদের তালিকা বের করে তাদের আইনি লড়াই করে তাদের চাকরি ফেরত দেওয়ার জন্য কাজ করব। 

তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, সোমবারের জন্য তৈরি থাকুন। চাকরিহারাদের নিয়ে বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেদিকে তাকিয়ে থাকুন।  

এদিকে এসবের মাঝে চাকরিহারারা পড়েছেন উভয় সংকটে। তাঁদের অনেকেই সামনেই বলে ফেলছেন রাজ্য সরকার এই সংকটের জন্য দায়ী। আবার এটাও বুঝতে পারছেন নেতাজি ইন্ডোরের সভাতে না গেলে বিপাকে পড়তে হতে পারে। চিহ্নিত হয়ে যেতে পারেন। সেকারণে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না তাঁরা। চাকরি গেলে খাব কী, সংসার চলবে কীভাবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *