SmallCap Stocks: বুঝে শুনে বিনিয়োগ করলে বিরাট রিটার্ন দিতে পারে স্মলক্যাপ, নজর রাখা যেতে পারে এই সেক্টরগুলোতে! – Bengali News | SmallCap Stocks Can Give Huge Return, Keep Eyes On Manufacturing & Global Trade, Fintech & Digital Services, Healthcare & Pharmaceuticals, Renewable Energy & EV Ecosystem, Consumer & E Commerce Growth
মাইক্রো ও স্মলক্যাপ সংস্থাগুলোর শেয়ারের দাম সেপ্টেম্বরের পর থেকে পড়েছে হু হু করে। যদিও ওই সেক্টরের সংস্থাগুলো বড় হয়ে মিড বা লার্জ ক্যাপ সংস্থায় পরিণত হয়। ফলে ঠিকঠাক স্মলক্যাপ সংস্থায় কেউ যদি বিনিয়োগ করতে পারে, তাহলে সেই বিনিয়োগ মালামালা করে দিতে পারে বিনিয়োগকারীকে। আবার বিনিয়োগ যদি ভুল ক্ষেত্রে করা হয়, সেক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীকে যে খালি হাতে ফিরতে হয়, সেটাও বলাই বাহুল্য।
আমাদের দেশ ভারত বর্তমানে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। একটা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ দেখতে পাচ্ছি আমরা। হু হু করে বাড়ছে দেশের জিডিপি। আর সেই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পও ভারতের শিল্পায়ন, পরিকাঠামো উন্নয়ন ও ডিজিটাল দুনিয়ায় এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায় হচ্ছে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও পিএলআই স্কিমের কথা এক্ষেত্রে না বললেই নয়।
এ ছাড়াও, পরিবহন ও নগরোন্নয়োনের মতো বিষয়গুলো অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে আরও তরান্বিত করছে। এ ছাড়াও দেশের বাড়ছে মধ্যবিত্তের সংখ্যা। আর তাদের ক্রয় ক্ষমতা বাড়ায় তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে দেশের অর্থনীতি ও দেশের জিডিপিতে।
এমন অবস্থায়, পথচলা শুরু করছে অনেক নয়া সংস্থা। শুরু হচ্ছে অনেক স্টার্ট-আপ। ফলে, আগের তুলনায় বর্তমান ভারতে এই ধরণের সংস্থা, যারা মাইক্রো ও স্মলক্যাপ সেক্টরের মধ্য পড়ে, তাদের বৃদ্ধির সম্ভাবনা অনেকাংশেই বেশি। তবে এমন কিছু সেক্টর রয়েছে যেখানে যে কোনও সংস্থার ভবিষ্যতে গ্রো করার অনেকটা জায়গা রয়েছে।
১. উৎপাদন ও বিশ্ব বাণিজ্য:
সরকারের উৎসাহে দেশে অনেক কিছু পণ্যের উৎপাদন শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশ, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও গাড়ি তৈরি বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। আর এই ধরণের পণ্য শুধু দেশের আভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে তৈরি হচ্ছে এমন নয়। এরা দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে।
২. ফিনটেক ও ডিজিটাল পরিষেবা:
বর্তমানে দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাঙ্কিং সহ একাধিক এমন বিষয়ের চাহিদা বাড়ছে। ফলে এই সেক্টর আগামিদিনে যে গ্রো করবে, এমনটা বলাই যায়।
৩. হেলথকেয়ার ও ফার্মা:
বর্তমানে দেশে ক্রমাগত বাড়ছে চিকিৎসা সংক্রান্ত খরচ। বাড়ছে ওষুধের দামও। ফলে এই সেক্টরের কোনও সংস্থায় বিনিয়োগ মালামাল করতেই পারে বিনিয়োগকারীকে।
৪. অচিরাচরিত শক্তি ও ইলেকট্রিক ভেহিকল
বর্তমানে কয়লা পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিবর্তে ক্রমশ জলবিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুত ও বিভিন্ন অচিরাচরিত শক্তি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ বাড়ছে। এ ছাড়াও পেট্রোল-ডিজেল চালিত গাড়ির তুলনায় চাহিদা বাড়ছে ইলেকট্রিক ভেহিকলের। ফলে এই সেক্টর ইতিমধ্যেই গ্রো করতে শুরু করে দিয়েছে।
৫. কনজিউমার ও ই-কমার্স
দ্রুত নগরায়ন দেশের মানুষের ক্রয়ের অভ্যাসকেও প্রভাবিত করছে। আগের তুলনায় ক্যুইক ই-কমার্সের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে দেশে। ফলে এই সেক্টরের বৃদ্ধির সম্ভাবনা আগামী কয়েক বছরে বেশ ভাল।
কোথাও বিনিয়োগ করতে চাইলে সেই বিষয়ে যথাযথ তথ্যানুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করুন। এই ভিডিয়ো শুধুমাত্র শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে। TV9 বাংলা বিনিয়োগের কোনও উপদেশ দেয় না।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যে কোনও বিনিয়োগে বাজারগত ঝুঁকি রয়েছে। ফলে, আগে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত নথি সাবধানে পড়ে নেবেন। তারপর বিনিয়োগ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।