গোবরডাঙা ও গাইঘাটা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ, জরিমানাও করলেন বিচারক - 24 Ghanta Bangla News
Home

গোবরডাঙা ও গাইঘাটা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ, জরিমানাও করলেন বিচারক

Spread the love

মামলাটা ছিল খুনের। আর সেই মামলায় আসল খুনিকে ধরতে না পেরে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আর তাঁকে গ্রেফতার করে লকআপে অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় ব্যাপক আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং ওই নিরাপরাধ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়ে ওঠেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে মামলা হয় আদালতে। তার জেরেই ওই দুই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলেন বিচারক।

বিচারকের নির্দেশের পর ওই ঘটনায় উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা এবং গাইঘাটা থানার পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। বনগাঁ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক–২ প্রদীপ কুমার অধিকারী এই নির্দেশ দেওয়ায় চাপে পড়ে গিয়েছেন দুই পুলিশ অফিসার। তবে শুধু এই নির্দেশেই থেমে থাকেননি বিচারক। একই সঙ্গে পুলিশকে কুড়ি হাজার টাকা জরিমানাও করেছেন বিচারক প্রদীপ কুমার অধিকারী। আর সেদিন থানার ভিতরে ওই নিরাপরাধ ব্যক্তির সঙ্গে কী ঘটেছিল তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং জিডি খাতা আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

আরও পড়ুন:‌ আগুনের লেলিহান শিখায় জ্বলছে মগরাহাট স্টেশন, ডায়মন্ডহারবার শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত

আদালত সূত্রে খবর, এই নিরাপরাধ ব্যক্তি পেশায় শিক্ষক। তাঁর দাদাকে কুপিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এই খুনের অভিযোগে তদন্তে নেমে আসল খুনিকে ধরতে পারেনি পুলিশ। উলটে তাঁর শিক্ষক ভাইকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় জেলে। সেখানে তাঁর উপর অত্যাচার করে পুলিশ বলে অভিযোগ। লকআপে শিক্ষকের উপর অকথ্য অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই অত্যাচারের ঘটনায় আদালতে মামলা করেন শিক্ষকের পরিবার। তখনই শিক্ষকের জামিন মঞ্জুর করে দেয় আদালত। আর একইসঙ্গে গোবরডাঙা এবং গাইঘাটা থানার পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারক।

এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে গেল। পুলিশের তদন্তে এতটা ফাঁক থাকে কেমন করে?‌ তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। শিক্ষকের আইনজীবী মুকুল বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‌শিক্ষককে গ্রেফতার করার সময় ফৌজদারি আইন বা সুপ্রিম কোর্টের যে গাইডলাইন আছে সেটা মানা হয়নি পুলিশের তরফে। আর পুলিশ লকআপে অত্যাচারের অভিযোগও এখন আদালত খতিয়ে দেখছে।’‌ যদিও এই শিক্ষক নিরাপরাধ কিনা সেটা এখনও প্রমাণ হয়নি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *