আপাতত বাতিল ৬০০, রাজ্যে ধীরে ধীরে বাতিল হবে প্রায় ১০ হাজার ভোটার কার্ড, বাংলার মুখ
একই নম্বরে একাধিক এপিক কার্ড জারি হওয়ার সমস্যার সমাধানে এবার কার্যকরী পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। দেশজুড়ে এরকম কয়েক হাজার এপিক বাতিল করা হল কমিশনের তরফে। তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ৬০০ এপিক কার্ড। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যে এরকম প্রায় ১০ হাজার এপিক রয়েছে। এই এপিকগুলিও ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে বাতিল করা হবে।
সম্প্রতি একই নম্বরে বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক এপিক কার্ড পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গের বহু ভোটারের এপিক কার্ডের নম্বর দিয়ে সার্চ করে দেখা যায় একই নম্বরে এপিক রয়েছে হরিয়ানা বা গুজরাতে। এর পরই বিষয়টি নিয়ে সরব হন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রী সরব হতেই পথে নেমে পড়েন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। রাস্তায় নেমে পড়েন তাঁরা। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। অবশেষে কমিশনের তরফে জানানো হয়, একই নম্বরে একাধিক এপিক থাকার অভিযোগ সত্য। তবে প্রত্যেকের বিধানসভা কেন্দ্র, ভোট কেন্দ্র আলাদা। একে অপরের ভোট কেন্দ্রে ভোট দেওয়া সম্ভব নয়। তবে প্রত্যেক ভোটারকে পৃথক নম্বরের এপিক দেওয়া হবে বলেও কথা দেয় কমিশন।
সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে মঙ্গলবার রাজ্যে ৬০০ এপিক বাতিল করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর এপিক সংশোধনের দায়িত্ব সম্প্রতি জেলা স্তরে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারকে দেওয়া হয়। তার পরই এই ত্রুটি ধরা পড়েছে। এবার থেকে এপিক নম্বর ডুপ্লিকেট হলে EROরা তা বদলাতে পারবেন। যে রাজ্যে আগে ওই এপিক নম্বর জারি হয়েছে তারটা বৈধ বলে ধরা হবে। পরে জারি হওয়া এপিক নম্বর বদল করে নতুন এপিক ভোটারকে পাঠাবে কমিশন। এজন্য ভোটারকে কিছু করতে হবে না। তাঁর কাছে নতুন ভোটার কার্ড পৌঁছলে পুরনো ভোটার কার্ড বাতিল বলে গন্য হবে।