ব্লেড দিয়ে গলা কাটে মুসকান, মুণ্ড আলাদা করার দায়িত্ব ছিল সাহিলের! খুনের বর্ণনা শুনে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল পুলিশেরও - Bengali News | Meerut Murder Case: Muskan Braught 2 Blades for 800 rs, Slits Husband's Throat, Then Sahil Severed Head from Body, Chilling Details of Merchant Navy Officer Murder - 24 Ghanta Bangla News
Home

ব্লেড দিয়ে গলা কাটে মুসকান, মুণ্ড আলাদা করার দায়িত্ব ছিল সাহিলের! খুনের বর্ণনা শুনে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেল পুলিশেরও – Bengali News | Meerut Murder Case: Muskan Braught 2 Blades for 800 rs, Slits Husband’s Throat, Then Sahil Severed Head from Body, Chilling Details of Merchant Navy Officer Murder

ধৃত মুসকান ও সাহিল। ডানদিকে নিহত সৌরভ।Image Credit source: X

লখনউ: মুসকানের নতুন নতুন কীর্তি। মিরাটের বাসিন্দা মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতের খুনের ঘটনায় নিত্যদিন নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। এবার পুলিশ জানাল কীভাবে সৌরভকে খুন করেছিল মুসকান ও সাহিল। জানা গিয়েছে, সৌরভকে খুন করার ৮ দিন আগে ৮০০ টাকা দিয়ে দুটো ছুরি কিনেছিল মুসকান। কীভাবে খুন করবে স্বামীকে, তাও বেশ কয়েকবার অভ্যাস করেছিল।

পুলিশি জেরায় জানা গিয়েছে, ধারাল ছুরি কিনে এনেছিল মুসকান। সেই ছুরি দিয়েই সৌরভের মুণ্ড ধড় থেকে আলাদা করেছিল মুসকানের প্রেমিক সাহিল। খুনের রাতের বর্ণনা দিয়ে মুসকান জানিয়েছে, সৌরভের খাবারে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিল সে। সৌরভ ঘুমিয়ে পড়তেই সে সাহিলকে ডাকে। তাঁর সামনেই সৌরভের বুকে তিনবার ছুরি গেঁথে দেয়। এরপরে ধারাল রেজার বা ব্লেড দিয়ে সৌরভের গলা কাটে মুসকান। দেহ টুকরো করার দায়িত্ব ছিল সাহিলের উপরে। সে আরেকটি ছুরি দিয়ে প্রথমে ধড় ও মুণ্ড আলাদা করে। এরপর একে একে হাত-পা আলাদা করে। মোট ১৫ টুকরো করা হয় দেহের। তারপর নীল রঙের ড্রামে ভরে তার মধ্যে সিমেন্ট ঢেলে সিল করে দেয়।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, প্রথমে মুসকান ও সাহিল ড্রামে মাটি ঢেলে উপর দিয়ে সিমেন্ট দিয়ে সিল করবে বলে ভেবেছিল। পরে তারা শুধু সিমেন্টই ঢালে। কিন্তু সমস্যা হয় অন্য জায়গায়, ড্রামের ওজন যে মারাত্মক বেড়ে যাবে, তা ভাবেনি। ড্রামটি সরিয়ে ফেলার জন্য তারা কয়েকজন শ্রমিককেও ডেকেছিল, কিন্তু তারা ড্রামটি নড়াতেও পারেনি। এতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মুসকান। এবং মা-বাবার কাছে অপরাধ স্বীকার করে নেয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *