R G Kar: 'গণধর্ষণ হলে সন্দেহভাজন কারা?', তিলোত্তমার মামলায় বিচারপতির প্রশ্নে উত্তর দিল সিবিআই, আর তা শুনেই সঞ্জয়ের আইনজীবী বললেন... - Bengali News | R g kar Judge summons case diary from CBI in High Court hearing in RG kar case - 24 Ghanta Bangla News
Home

R G Kar: ‘গণধর্ষণ হলে সন্দেহভাজন কারা?’, তিলোত্তমার মামলায় বিচারপতির প্রশ্নে উত্তর দিল সিবিআই, আর তা শুনেই সঞ্জয়ের আইনজীবী বললেন… – Bengali News | R g kar Judge summons case diary from CBI in High Court hearing in RG kar case

Spread the love

গণধর্ষণ না ধর্ষণ? প্রশ্ন বিচারপতিরImage Credit source: TV9 Bangla

কলকাতা: তিলোত্তমা মামলায় হাইকোর্টে প্রশ্নের মুখে সিবিআই। গণধর্ষণ নাকি একজনই অপরাধ করেছে, সোমবার হাইকোর্টে শুনানির শুরুতেই জানতে চান বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। বিচারপতির প্রশ্ন, গণধর্ষণ না শুধু প্রমাণ নষ্ট, সিবিআই এখনও পর্যন্ত তদন্তে কী জানতে পেরেছে, জানতে চান বিচারপতি। আর জি কর মামলায় সিবিআইকে কেস ডাইরি আনার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এই মামলার তদন্ত কোন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে এই মুহূর্তে, তা জানতে চায় আদালত।

শুনানির শুরুতেই বিচারপতি সিবিআই-এর কাছে জানতে চান, এটা গণধর্ষণ না ধর্ষণ? গণধর্ষণ হলে সন্দেহভাজন কারা? সিবিআই-কে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “আমরা এই আদালতে এটা জানতে চাইছি, পরে আর কী তদন্ত করলেন? একটা চার্জশিটের পর আর কোনও চার্জশিট দেননি।” বিচারপতি সিবিআই-কে বলেন, “রিপোর্ট দরকার নেই। দরকার কেস ডায়েরি।”

বিচারপতির তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য,  “যেহেতু এই মামলায় একজনের সাজা হয়েছে, সেখানে কোন কোন ধারায় চার্জ গঠন করা হয়েছে ? সাজা প্রাপ্ত ব্যক্তিই কি একমাত্র অভিযুক্ত , নাকি আর কেউ আছে ?”

রাজ্যের তরফে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের কোনও তদন্তে আপত্তি নেই। তবে আদালত কী ট্রায়ালের পর কাউকে ফের তদন্তের কথা বলতে পারে? ট্রায়াল কোর্টের কাছে যান নি।”

রাজ্যের প্রশ্ন, “এক বছর ধরে সিবিআই কী করছে, সেটা মানুষ জানতে চায়। পনের দিনের মধ্যে শেষ করতে চাইলে আমাদের কোন আপত্তি নেই। বিশেষ আদালত কি এর অনুমতি দিতে পারে ?” রাজ্যের প্রশ্ন, “পরিবার হাইকোর্টে কেন এসেছে? বিশেষ আদালতে আবেদন জানাচ্ছে না কেন?”

সিবিআই-এর তরফে আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার বলেন, “আমাদের আরেকটু সময় দেওয়া হোক।” তখনই বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “সব অফিসাররা তৈরি থাকলে আবার কী সমস্যা আপনাদের?”

তখনই সওয়াল করেন লিগল এডের সঞ্জয়ের আইনজীবী কৌশিক গুপ্ত। তিনি বলেন, “যাকে দোষী করা হল, তাকে বলতে দিতে হবে।”

তিলোত্তমার পরিবারের আইনজীবী সুদীপ্ত মৈত্র আদালতে আবদেন করেন, “পরবর্তী তদন্ত আদালতের নজরদারিতে হোক। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার আধিকারিকদের দিয়ে SIT গঠন করা হোক।”

তিলোত্তমার পরিবার আদালতে জানান, প্রায় সাড়ে সাত মাস হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও নিরাপত্তারক্ষী এবং নার্সদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। অতিরিক্ত সুপারকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। আদালত যাতে সিবিআই-এর কাছে স্ট্যাটাস রিপোর্ট চায়, তার আবেদন জানায় পরিবার। আগামী ২৮ মার্চ পরবর্তী শুনানি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *