ঠাকুরপুকুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করে অটো চালক, স্কেচ করে গ্রেফতার করল পুলিশ - 24 Ghanta Bangla News
Home

ঠাকুরপুকুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করে অটো চালক, স্কেচ করে গ্রেফতার করল পুলিশ

অটো চালক নাবালিকা যাত্রীকে যৌন হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। কিন্তু তারপর থেকে ওই অটো চালককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এই আবহে অটো চালককে খুঁজে হের করে বড় সাফল্য পেল কলকাতা পুলিশ। অভিযুক্ত অটো চালককে ধরতে পোট্রেট আঁকানো হয়েছিল। সেই ছবির সূত্র ধরেই খোঁজ করা হয়। তারপর ছবি মিলে যেতেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। দক্ষিণ কলকাতার বুকে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা করে অটো চালক বলে অভিযোগ। আজ সোমবার সকালে অভিযুক্ত অটো চালককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেহালায় অটোর মধ্যে নাবালিকাকে ‘যৌন হেনস্থা’‌ করে ওই চালক বলে অভিযোগ।

এদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত অটো চালকের নাম শেখ সেলিম। সে চেতলার বাসিন্দা। অভিযুক্তের সন্ধান প্রথমে মেলেনি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখেও ওই অটো চালককে শনাক্ত করা যায়নি। তখন নাবালিকা নির্যাতিতার মৌখিক বয়ান অনুসারে অভিযুক্তের ছবি আঁকে দক্ষ পুলিশ আর্টিস্ট। আর সেই ছবি নিয়ে তল্লাশি চালাতেই আজ সোমবার ওই অভিযুক্ত অটো চালক ধরা পড়ে যায়। মার্চ মাসের ১৮ তারিখ ‘‌যৌন হেনস্থা’‌ ঘটে অটোর মধ্যে নাবালিকার। ঠাকুরপুকুরের শীলপাড়া এলাকায় ওই নাবালিকা সেদিন সন্ধ্যার পর বাড়ি ফেরার জন্য অটোয় উঠেছিল। ওই অটো চালক ওই এলাকায় অপরিচিত।

আরও পড়ুন:‌ ‘‌আমাকে রক্তাক্ত করা হল’‌, হাতে আঁচড়ের দাগ দেখিয়ে পুলিশকে কাঠগড়ায় তুললেন শুভেন্দু

অন্যদিকে অটোতে নিয়ে যাওয়ার সময় ওই নাবালিকার শরীরের নানা জায়গায় স্পর্শ করে বলে অভিযোগ। এমনকী ঠাকুরপুকুর বাজার পর্যন্ত ডিএইচ রোডের ধারে একটি ফাঁকা জায়গায় ওই নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতনও করা হয় বলে অভিযোগ। রাত ৯টায় ওই ঘটনা ঘটে। তখন এলাকায় বেশ ফাঁকা ছিল। সেই সুযোগ নিয়েই অটো চালক নাবালিকার যৌন হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। কোনওরকমে সেখান থেকে ফিরে সে তার মাকে সব জানিয়ে দেয়। নাবালিকার মা তা শুনে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তার পরেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

এছাড়া চেতলা এলাকা থেকে ওই অটো চালকের খোঁজ মেলে। শেখ সেলিম চেতলা এলাকার বাসিন্দা হওয়ায় ঠাকুরপুকুরের কেউ চেনে না তাকে। পুলিশ আজ তাকে গ্রেফতার করে আদালতে তুলেছে বলে খবর। ঠাকুরপুকুর থানায় অভিযুক্ত অটো চালকের বিরুদ্ধে পকসোয় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত অটো চালককে চিহ্নিত করা যাচ্ছিল না। শেষে বিবরণ শুনে অভিযুক্তের ছবি আঁকানো হয়। তার পরেই পুলিশের তল্লাশিতে মেলে সাফল্য।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *