‘পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদেছি...’, কেন বলেছিলেন শুভশ্রী? - Bengali News | Why subhashree ganguly used to cried inside bathroom know all details - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদেছি…’, কেন বলেছিলেন শুভশ্রী? – Bengali News | Why subhashree ganguly used to cried inside bathroom know all details

Spread the love

টলিপাড়ায় এই মুহূর্তে চুটিয়ে কাজ করছেন নায়িকা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এই বছরে পরপর তিনটে শুটিং করবেন অভিনেত্রী। রয়েছে অদিতি রায়ের ওয়েব সিরিজ, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘লহো গৌরাঙ্গের নাম রে’ আর নির্ঝর মিত্রর পরিচালনায় নতুন ছবি। কিন্তু টলিউডে পা রেখে দু’টো ব্লকবাস্টার ছবি করার পর চার বছর কাজ করেননি শুভশ্রী। সম্প্রতি তাঁর একটা সাক্ষাত্‍কার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বাংলার একটি বিনোদন চ্যানেলের নন-ফিকশনে এসে এই সাক্ষাত্‍কার দিয়েছিলেন শুভশ্রী। পাশে ছিলেন তাঁর বাবা-মা।

শুভশ্রী বলেছিলেন, ‘চার বছর কোনও কাজই করিনি। ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’-র পর কাজ করা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এটা আমার নিজের সিদ্ধান্ত ছিল। কেউ কাউকে কোনওদিন জোর করতে পারে না। যেটার জন্য ডিসিশনটা নিয়েছিলাম, সেটাই যখন থাকল না, তখন বুঝেছিলাম, জীবন খুব আনপ্রেডিক্টেবল’। শুভশ্রী আরও যোগ করেন, ‘আমি বাবা-মায়ের সঙ্গে খুশিটাই ভাগ করে নিতে চাইতাম। আমার কষ্ট হয়েছে, এটা ভেবে ওঁরা হয়তো এসেছেন। আমি ওঁদের খুশিটা দেখাতাম। এমনও হয়েছে পাঁচ মিনিট অন্তর বাথরুমে গিয়ে কেঁদে এসেছি। তবে যে সময়ে জিরো হয়ে গিয়েছিলাম, সে সময় বলেছিলাম, আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি না। আমার হারানোর কিছুই নেই। কারণ আমার কিছুই নেই। যা আসবে, সেটাই পাওনা। তারপর ঈশ্বরের আশীর্বাদে, উন্নতি লাভ করতে শুরু করি’।

শুভশ্রী সেই সময়ে যে কথাগুলো বলেছিলেন, তার জোর আজকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিয়ের পর কেরিয়ারে নতুন মোড় যোগ হয়েছে নায়িকার। এর মধ্যে দুই সন্তানের মা হয়েছেন শুভশ্রী। সেই দিকটা সামলাচ্ছেন দারুণভাবে। ‘পরিণীতা’, ‘ধর্মযুদ্ধ’ থেকে ‘হাবজিগাবজি’, ‘বাবলি’, ‘সন্তান’ ছবিতে নায়িকার কাজ নজর কেড়েছে। আবার দেবালয় ভট্টাচার্যর পরিচালনায় ওয়েব সিরিজ ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’-এর জন্য বিশেষ পুরস্কার জিতেছেন নায়িকা। এই বছর যেসব কাজ করছেন, তা শুভশ্রীকে আরও এগিয়ে দেবে, এমনই আশা অনুরাগীদের।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *