থানার ভিতরেই লেডি অফিসারের পোশাক খোলার চেষ্টা? নিউ টাউনে গ্রেফতার ২ মদ্যপ, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

থানার ভিতরেই লেডি অফিসারের পোশাক খোলার চেষ্টা? নিউ টাউনে গ্রেফতার ২ মদ্যপ, বাংলার মুখ

Spread the love

প্রথমে রাস্তায় গাড়ি নিয়ে তাণ্ডব, তারপর থানায় ধরে আনতেই খোদ মহিলা পুলিশকর্মীরই শ্লীলতাহানি! দোলের দিন এমনই অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠল কলকাতা লাগোয়া বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত নিউ টাউনে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা তথ্য অনুসারে, শুক্রবার (১৩ মার্চ, ২০২৫) – অর্থাৎ – দোলযাত্রার দিন সন্ধেবেলায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় দুই যুবকের বিরুদ্ধে বেপোরাভাবে গাড়ি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই দুই যুবক সল্টলেকের ‘অফিস পাড়া’ সেক্টর ফাইভের দিক থেকে গাড়ি চালিয়ে আসছিলেন। তাঁরা যাচ্ছিলেন নিউ টাউনের দিকে। সূত্রের দাবি, তাঁদের ওই গাড়ির গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। তাছাড়া, চালকের আসনে যে যুবক বসে ছিলেন, তিনি ঠিক মতো গাড়িটি নিয়ন্ত্রণও করতে পারছিলেন না। যার ফলে পথচারী ও অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এই অবস্থায় বেশ কিছুটা এলোপাথাড়িভাবে এগিয়ে যাওয়ার পর ওই গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাটি ঘটে নিউ টাউনের বলাকা আবাসনের কাছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সটান রাস্তার মাঝখানে থাকা ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারেন।

এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। গাড়িতে সওয়ার দুই যুবকের সঙ্গে কথা বলেই বোঝা যায়, তাঁরা তখন প্রকৃতিস্থ নেই। দু’জনই মদ্যপান করেছিলেন বলে অভিযোগ। সম্ভবত, মত্ত থাকাতেই গাড়ির গতি বেপরোয়াভাবে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তাঁরা। তাছাড়া, গাড়ির উপর চালকের কোনও নিয়ন্ত্রণও ছিল না।

এরপর ওই দুই যুবককে পুলিশ আটক করে এবং নিউ টাউন থানায় ধরে নিয়ে আসে। অভিযোগ হল, এই ঘটনায় ওই দুই যুবক আরও ক্ষেপে যান। থানায় ঢুকে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তাঁরা। সেই সময় থানায় একজন মহিলা পুলিশ ইন্সপেক্টর কর্তব্যরত ছিলেন।

আটক দুই যুবকের নজর পড়ে ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিকের উপর! অভিযোগ, তাঁরা থানার মধ্যেই ওই লেডি অফিসারের সঙ্গে অশালীন আচরণ শুরু করেন। তাঁর শ্লীলতাহানি করেন! তাঁকে অবাঞ্ছিতভাবে স্পর্শ করেন এবং তাঁর পরনের পোশাক পর্যন্ত খোলার চেষ্টা করেন! সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে ওঠেন বাকি পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা। এরপরই ওই দুই মত্ত যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

দুই মদ্যপের এমন আচরণে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কতটা বেপরোয়া হলে থানার ভিতর কর্তব্যরত একজন মহিলা পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে এমন কুরুচিকর আচরণ করা যায়? এমন মানসিকতা নিয়ে যাঁরা রাস্তায় ঘুরে বেড়ান, তাঁদের উপস্থিতিতে আদৌ কতটা সুরক্ষিত রোজের কাজে রাস্তায় বের হওয়া মহিলারা?

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *