Bankura: রসায়নের পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে বেরিয়ে গিয়েছিল, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পরিণতি মানতে পারছে না কেউ - Bengali News | Dead body of a higher secondary student found from Lalbandh in Bankura - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bankura: রসায়নের পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে বেরিয়ে গিয়েছিল, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর পরিণতি মানতে পারছে না কেউ – Bengali News | Dead body of a higher secondary student found from Lalbandh in Bankura

Spread the love

লালবাঁধের জল থেকে উদ্ধার হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর দেহImage Credit source: TV9 Bangla

বিষ্ণুপুর: রহস্যজনকভাবে বিষ্ণুপুরের লালবাঁধের জলে ডুবে মৃত্যু হল এক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। মৃতের নাম সৌমেন ঘোষ। গতকাল রাতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর লালবাঁধের জল থেকে সৌমেনের মৃতদেহ উদ্ধার করে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পড়ুয়ার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে গতকাল রাতেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, গতকাল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সৌমেন ঘোষ রসায়ন বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে বিষ্ণুপুর শহরে নিজের বাড়িতে ফিরেছিল। তারপরই জেরক্স করার নাম করে বিকেল ৩ টা নাগাদ সাইকেল নিয়ে সে বেরিয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ পরেও সৌমেন বাড়িতে না ফেরায় খোঁজ শুরু করেন পরিবারের লোকজন। খোঁজ না পেয়ে পরিবারের লোকজন দ্বারস্থ হয় বিষ্ণুপুর থানার। বেশ কয়েকঘণ্টা খোঁজ চালানোর পর বিষ্ণুপুরের ঐতিহ্যবাহী লালবাঁধের পাড়ে সৌমেনের সাইকেল ও তার পরনের জামাকাপড় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। সন্দেহ হওয়ায় খবর দেওয়া হয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। গভীর রাতে স্পিড বোট নিয়ে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ওই দিঘির জলে তল্লাশি শুরু করে। বেশ কিছুক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর লালবাঁধের জল থেকে উদ্ধার হয় সৌমেনের দেহ।

মেধাবী ছাত্র হিসাবে পরিচিত সৌমেনের মৃত্যুর পিছনে কী তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পিরুমোহন কুন্ডু নামে সৌমেনের এক শিক্ষক বলেন, খুবই মেধাবী ছাত্র ছিল সৌমেন। সবাই তাকে ভালবাসত। রসায়নের পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে মাকে বলেছিল, পরীক্ষা ভাল হয়েছে। কীভাবে ছাত্রর মৃত্যু হল, তা বুঝতে পারছেন না বলে জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

এই খবরটিও পড়ুন

প্রতিবেশী এক যুবক বলেন, পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরে খাওয়া দাওয়া করে সৌমেন। তারপর মাকে বলে, জেরক্স করতে যাচ্ছে। সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে যায় সে। কয়েকঘণ্টা পরও না ফেরায় সবাই খোঁজ করতে শুরু করে। তারপরই পুলিশে জানানো হয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *