বিয়ের দিন হেমা মালিনীর ঘরে ধর্মেন্দ্র!বন্ধ দরজার ভিতর থেকে ভেসে এল… – Bengali News | Unknown story of hema malini and dharmendra love and jeetendra wedding
বলিউডের সাতের এবং আটের দশক নায়ক-নায়িকাদের যেন প্রেম, বিচ্ছেদ, বিরহ, বিবাহের বছর। এই সময় যেমন জমে উঠেছিল অনেক প্রেম, সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন নায়ক-নায়িকা। ঠিক তেমনই বিচ্ছেদ, বিয়ে ভাঙারও সাক্ষী ছিল হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক ছড়িয়ে ছিল জীতেন্দ্র, হেমা ও ধর্মেন্দ্রকে ঘিরে।
বিষয়টা একটু বিশদে বলা যাক। সালটা ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৪। সেই সময় ধর্মেন্দ্র এবং হেমা মালিনীর প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে তোলপাড় বলিউডে। ধর্মেন্দ্র তখন বিবাহিত। তার রয়েছে চার সন্তানও। কিন্তু তবুও ড্রিম গার্লের প্রেমে হাবুডুবু বলিউডের ধরম।
ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে মেলামেশাটা একেবারেই পছন্দ ছিল না হেমার মা-বাবার। কিন্তু প্রেম তো এসব বাধা মানে না। ঠিক সেই সময়ই অনেক কষ্টে জীতেন্দ্র ও জীতেন্দ্রর পরিবারের সঙ্গে হেমাকে রাজি করিয়ে ফেলেন তাঁর মা-বাবা। মুম্বই থেকে চেন্নাইয়ে উড়ে যান(তখন মাদ্রাজ)। অন্যদিকে, হেমার প্রতি কোনও অনুভূতি ছিল না জীতেন্দ্রর। শুধুই মা-বাবার মুখ চেয়ে হেমাকে বিয়ে করতে রাজি হন।
হেমার অজান্তেই ঠিক হয় বিয়ের তারিখ। সাজানো হয় ছাদনাতলা। খবরটি পান ধর্মেন্দ্র। ব্যস, সঙ্গে সঙ্গে মুম্বই থেকে তিনিও আসেন চেন্নাই। বিয়ের দিনই সোজা পৌঁছে যান হেমার বাড়িতে। সোজা গিয়ে অভিনেত্রীর বাবাকে রাজি করান, একটিবার তাঁরা যেন হেমার সঙ্গে দেখা করতে দেন।
সেই সময় বিনোদনমূলক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল, ঘরের ভিতর নাকি হেমার সঙ্গে দেখা করেন ধর্মেন্দ্র। দরজার বাইরে থেকে ভেসে আসছিল হেমার কান্নার শব্দ। তারপ হঠাৎই ধর্মেন্দ্র বেরিয়ে যান। হেমা বেরিয়ে এসে ভাঙেন বিয়ে। এরপর ১৯৮০ সালে ধর্মেন্দ্রকে বিয়ে করেন হেমা। এক সাক্ষাৎকারে জীতেন্দ্র বলেছিলেন, হেমা খুবই ভালো মেয়ে। আমি ওর জন্য সঠিক ছিলাম না। হেমা যা করেছে, একেবারেই ঠিক করেছে।