Lifestyle Tips: ৪ খাবার খেলেই পাবেন ভীমের শক্তি, দিনরাত ছুটবেন ঘোড়ার গতিতে – Bengali News | Best foods to deal with fatigue
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুম শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের অভাব মানসিক চাপ, চুল পড়া এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। কিন্তু পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও অলস বোধ করেন কেউ কেউ। কিছতেউই যেন বিছানা থেকে উঠতে আর ভালো লাগে না। এই রকম বলে আপনার দৈনন্দিন কাজকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
পুষ্টিবিদরা বলেন, পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও অলসতা, শক্তির অভাব বোধ করার অনেক কারণ থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন কখনও কখনও পুষ্টির অভাব, শরীরতে জলশূন্যতা হওয়া, দুর্বল হজমশক্তি এবং মানসিক চাপের কারণে এটি ঘটতে পারে। কী ভাবে এই অলসতার হাত থেকে মুক্তি পাবেন? রইল তেমন ৪ খাবারের হদিস।
নারকেল জল – সারাদিন অলস বোধ করলে, নারকেল জল পান করতে পারেন। নারকেল জল শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করতে সাহায্য করে। শরীরকে হাইড্রেট করার পাশাপাশি এটি ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতিও দূর করে। নারকেল জল ছাড়াও, আপনি দই দিয়ে তৈরি বাটারমিল্কও পান করতে পারেন। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক।
আমলকির রস – আমলকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি এটি বিপাক ক্রিয়াও ঠিক রাখে। শক্তির অভাব বোধ করলে, প্রতিদিন আমলকির রস পান করতে পারেন। এর ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয় না।
বাদাম এবং কিশমিশ – বাদাম এবং কিশমিশকে সবচেয়ে শক্তিশালী শুকনো ফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এগুলো ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ। রাতে ভিজিয়ে রেখে খেলে, সকালে খেলে উপস্থিত পুষ্টি উপাদান শরীর আরও ভালোভাবে শোষিত করতে পারে। এর ফলে শরীরে পুষ্টির কোনও ঘাটতি হয় না এবং শক্তির মাত্রাও বৃদ্ধি পায়।
দুধের সঙ্গে খেজুর – শক্তি বৃদ্ধির জন্য খেজুরের বেশ দুনাম রয়েছে। দুধের সঙ্গে খেলে অলসতা কাটে। দুধে থাকে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন যা শরীরের সঙ্গে সঙ্গে হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে। রাতে ঘুমানোর এক ঘন্টা আগে দুধের সঙ্গে খেজুর খাওয়া উচিত। এতে ঘুমা ভালো হয়।