Penguin Love Life Exposed: মানুষের ‘রোগ’ ধরেছে পেঙ্গুইনদের, চুটিয়ে চলছে পরকীয়া-ডিভোর্স!

প্রেমে পড়ছে পেঙ্গুইনরা। পড়তেই পারে। কিন্তু, ব্যাপারটা শুধু প্রেমে আটকে নেই। পরকীয়া, টরকীয়া হয়ে জটিল চেহারা নিয়েছে। আপনারা বলতেই পারেন, পেঙ্গুইনরা যদি পরকীয়া করে, তাতে কী এসে গেল? ঠিক কথা। কারও কিছু এসে যাচ্ছে না। আবার যাচ্ছেও। কেননা, পেঙ্গুইনদের পরকীয়া প্রেম মানে আনুগত্য, বিশ্বাসযোগ্যতা, সম্পর্কের অঙ্গীকার – এই সবকিছুই প্রাণী জগত থেকে হারিয়ে যাওয়া। কারণ কী জানেন।
এতদিন একমাত্র পেঙ্গুইনদেরই মনোগামাস বা একগামী বলে পরিচিতি ছিল। মানে, একজন সঙ্গীকে নিয়েই জীবন কাটানো, সুখদুঃখ ভাগ করে নিত ওরা। অন্যভাবে বলতে গেলে, পেঙ্গুইনরা একবারই প্রেমে পড়ত। একবার মিলন মানে আজীবনের সঙ্গী। নতুন সঙ্গী খোঁজ করার চেষ্টা কখনও ওদের মধ্যে দেখা যায়নি। তবে, এখন নাকি পরম্পরা ভাঙছে। এক পার্টনারকে ছেড়ে অন্য পার্টনারের খোঁজে বেরোচ্ছে পুরুষ ও স্ত্রী পেঙ্গুইনরা।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওদের মধ্যেও এখন ডিভোর্সের চল হয়েছে। আর ডিভোর্স শুরু হতেই দলে দলে পেঙ্গুইন দম্পতির ঘর ভাঙছে। তবে, ঘর ভেঙে নতুন ঘর বাঁধার পরও ওরা কিন্তু সুখে নেই। নতুন সঙ্গীর সঙ্গেও লেগে যাচ্ছে ঝগড়াঝাঁটি। পেঙ্গুইন বিশেষজ্ঞ ডের রটলার বলছেন, পছন্দ বদলে যেতে পারে। চরিত্র তো আর রাতারাতি বদলায় না। এতদিন যাঁরা একজন সঙ্গীতেই অভ্যস্ত ছিল, তারা রাগমাগ করে সম্পর্ক ভেঙে দিচ্ছে বটে। কিন্তু নতুন সঙ্গীর সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারছে না। মেজাজ দেখিয়ে ফেলছে।
গত ১২ বছর ধরে পেঙ্গুইনদের উপর গবেষণা চালিয়ে এসব তথ্য পেয়েছেন একদল বিজ্ঞানী। সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন রটলার। তিনি বলছেন, বরফ গলার কারণে পেঙ্গুইনরা যতটা না বিপন্ন, তার থেকেও বড় বিপদ এই সম্পর্কের টানাপোড়েন। তাঁর আশঙ্কা, এসবের জেরে কয়েক বছরের মধ্যে পেঙ্গুইনের সংখ্যায় টান পড়তে পারে। একটা নামকরা বিজ্ঞান পত্রিকায় এই গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে। আর তারপরই আলোড়ন পড়ে গেছে প্রাণীবিজ্ঞানের মধ্যে।
