Voter List Manipulation: ডেডলাইন পার! কথা মতোই কমিশনের বিরুদ্ধে 'এপিক বিতর্কে' বড় তথ্য ফাঁস তৃণমূলের - Bengali News | TMC MP Saket Gokhale Claims Given Clarification By Election Commission is Contradictory to their guidebook - 24 Ghanta Bangla News
Home

Voter List Manipulation: ডেডলাইন পার! কথা মতোই কমিশনের বিরুদ্ধে ‘এপিক বিতর্কে’ বড় তথ্য ফাঁস তৃণমূলের – Bengali News | TMC MP Saket Gokhale Claims Given Clarification By Election Commission is Contradictory to their guidebook

Spread the love

নয়াদিল্লি: একই এপিক নম্বরের দু’জন ভোটার। একজন বাংলায়, অন্যজন হরিয়ানা। গত সপ্তাহ কতক ধরেই এই ইস্যুতে রাজ্যে চড়েছে সুর। মুখ খুলেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত তৃণমূলের মহাসমাবেশ থেকেই রাজ্যের ভুয়ো ভোটার নিয়ে একাধিক তথ্য তুলে ধরেন তিনি। অভিযোগ করেন বিজেপির বিরুদ্ধেও।

তারপর থেকে ‘ভুয়ো ভোটার’ ইস্যুতে সরগরম রাজনীতি। বলা বাহুল্য, বাংলার এই আগুনের আঁচ কিন্তু গিয়ে পড়েছে রাজধানীতেও। মমতার ‘আশঙ্কা’ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি, তারা একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে যে একই এপিক নম্বরে দুই রাজ্যে ভোটার থাকা মানেই তা ভুয়ো নয়। তাদের যুক্তি, যেহেতু এই ভোটার কার্ড বা এপিক কার্ড তৈরির ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রিক ও ম্যানুয়াল মেকানিজম ব্যবহার করা হয়। সেহেতু অনেক সময়ই দু’টি রাজ্যে একই আলফা-নিউম্যারিক নম্বর তৈরির সম্ভবনা বেড়ে যায়।

পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের এও দাবি যে ভুল একটা হয়েছে ঠিকই, যা আপাতত তারা সংশোধনের লক্ষ্যেই নামবে। তবে, কমিশনের এই যুক্তিগুলি কোনও মানতে রাজি নয় ঘাসফুল শিবির। সোমের বেলায় দিল্লিতে সেই প্রসঙ্গে একটি সাংবাদিক বৈঠকও করেন সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ। ভুয়ো ভোটার প্রসঙ্গে সেই বৈঠক থেকে তারা বিজেপির দিকেই অভিযোগের আঙুল তোলেন। পাশাপাশি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কমিশন ভুল স্বীকার না করলে, আরও নতুন তথ্য প্রকাশের হুঁশিয়ারি দেয় তৃণমূল সাংসদরা।

যেমনটা হুঁশিয়ারি, তেমনটাই হল। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব তৃণমূল শিবির। মঙ্গলবার সাত সকালেই এই প্রসঙ্গে নিজের এক্স হ্য়ান্ডেলে একটি পোস্ট করেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ সাখেত গোখলে। পোস্টে কী লেখেন তিনি?

কমিশনের ‘একই এপিক নম্বর’ নিয়ে করা দাবিকে নস্যাৎ করে নিয়মাবলী মাধ্যমে ‘আসল তথ্য’ তুলে ধরেন তিনি। সাংসদের দাবি, যে আলফা-নিউম্যারিক নম্বর নিয়ে এত বিতর্ক, সেই নম্বর প্রতিটি ভোটারের বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও ভোটারের পরিচয়ের ভিত্তিতে তৈরি হয়। অর্থাৎ প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র বিশেষে তৈরি হবে ভিন্ন ভিন্ন এপিক নম্বর।

উল্লেখ্য, কমিশন আগেই দাবি করেছিল, একই এপিক নম্বর থাকলেও দুই ভোটারের ছবি আলাদা। সেক্ষেত্রে কোনও ভাবেই অসুবিধার মুখে পড়বেন না তারা। কিন্তু কমিশনের এই যুক্তি নস্যাৎ করেছেন সাংসদ। তাঁর দাবি, ছবি আলাদা থাকলেও, এপিক নম্বর এক। আর তা যথেষ্ট একজন ভোটারকে ভোট দেওয়া থেকে আটকাতে। সাংসদের অভিযোগ, ‘ওই একই এপিক নম্বর পাওয়া দুই ভোটারের মধ্যে যদি কেউ ভোট দিতে যায় ও তিনি যদি বিজেপি-বিরোধি হন এবং সেই সম্পর্কে আগে থেকে ভোট কেন্দ্রের অফিসারের কাছে খবর থাকলে, তিনি খুব সহজেই এপিক নম্বরের ভিত্তিতে ভোটার কার্ডের ছবি ভিন্ন হওয়ার কারণ দেখিয়ে তার ভোট বাতিল করে দিতে পারবেন।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *