Share Market: ভাঙছে পতনের রেকর্ড, সাফ ৯৪ লক্ষ কোটি টাকা! মিউচুয়াল ফান্ডের টাকা তুলে নেওয়ার ‘নিরাপদ’ সময় কি তবে এটাই? – Bengali News | Should You Takes Off All Your Money From Mutual Funds and Stocks
কলকাতা: ‘লালে লাল’ শেয়ার বাজার। মঙ্গলেও বজায় রইল পতন। এদিন বাজার খুলতেই এক ধাক্কায় ২৬৫ পয়েন্ট পড়ে যায় সেনসেক্স। একই ভাবে ১৫০ পয়েন্ট পড়ে যায় নিফটি ৫০। অবশ্য, বেলা ১১টার রিপোর্ট বলছে, ক্রমাগত মাথা তুলে দাঁড়ানোরও চেষ্টা করছে এই দুই সূচক।
ট্রাম্পের ট্রেড যুদ্ধের ঘোষণার পর থেকেই বারবার মুখ থুবড়ে পড়ছে শেয়ার বাজার। এছাড়াও, ভারতীয় মুদ্রার তুলনায় ক্রমাগত শক্তি বাড়াচ্ছে ডলার। যার জেরে ভারতীয় বাজার থেকে নিজেদের লগ্নি তুলে নিচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। আর এই সব মিলিয়ে শেয়ার বাজার পরিণত হচ্ছে ‘খরার বাজারে’।
ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে প্রায় ৪ হাজার পয়েন্ট পড়ে গিয়েছে নিফটি ৫০ সূচক। অন্যদিকে, ১৩ হাজার পয়েন্ট পড়ে গিয়েছে সেনসেক্স। একই হাল মিডক্যাপ ইনডেক্সেরও। মোট ২২ শতাংশ ‘মাথা ঝুঁকিয়েছে’ সেটি। যার জেরে গত পাঁচ মাসে দালাল স্ট্রিটে থেকে ধুয়ে মুছে গিয়েছে বিনিয়োগকারীদের ৯৪ লক্ষ কোটি টাকা।
শেয়ার বাজারের পতনের জেরে ধুঁকছে মিউচুয়াল ফান্ডগুলিও। লার্জ ক্য়াপ হোক বা স্মল ক্যাপ, মিউচুয়াল ফান্ড যেন কোনও ভাবে সবুজ সংকেত দিচ্ছে না বিনিয়োগকারীদের। ফলত, বাড়ছে চাপ। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে এখনই কি তবে সব শেয়ার আর মিউচুয়াল ফান্ড বেচে দেওয়া উচিত হবে?
শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্র একেবারে পৃথক। কিন্তু একে অপরের সঙ্গে যোগ রয়েছে তাদের। বিশেষজ্ঞদের দাবি, শেয়ার হোক কিংবা মিউচুয়াল ফান্ড। যদি টাকার খুব প্রয়োজনা না হয়, তাহলে এখন বিক্রির সময় এটা নয়। বরং, এখন মার্কেটকে ধরে রাখবে এই টাকাগুলোই। বড় বিনিয়োগকারীরা তো সরছেই, কিন্তু খুচরো বিনিয়োগকারীরাও যদি নড়ে বসে, তাহলে শেয়ার বাজারকে একেবারে ‘শেষ’ হওয়া থেকে আটকায় কে?
তাদের আরও দাবি, শেয়ারের ক্ষেত্রে এটা একটা উপাদেয় সময়। ক্রমাগত যদি শেয়ার কেনা যায়, ভবিষ্যতে তা লাভবান হতে পারে। একই পরামর্শ মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রেও। বিশেষজ্ঞদের কথায়, চোখ বন্ধ করে এখন মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে যেতে হবে। কোনও দিকে তাকালে চলবে না। একটা বড় পতনের পর মার্কেট আবার ঘুরে দাঁড়াবেই। তাতে একটু সময় লাগতেই পারে।
