তলে তলে বদলে যাচ্ছে ধাঁচ, ২০৩০ সালের মধ্যেই বড় কাজ করে দেখাবে রেল! – Bengali News | Railways’ 2030 net zero plan builds on renewable, nuclear, water and thermal power
নয়াদিল্লি: প্রচলিত শক্তির ব্যবহারের উপর নির্ভরতা কমাতে চাইছে ভারতীয় রেল। নেট জিরো ২০৩০ অধীনেই পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তির উপরে ভরসা বাড়াতে চাইছে ভারতিয় রেল। সে কারণেই পারমাণবিক বিদ্যুৎ, সৌর বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, বায়ু এবং তাপবিদ্যুতের উৎসগুলির দিকে ঝুঁকছে ভারতীয় রেল। এমনকি ২০৩০ সালের মধ্যে ট্রেন চালানোর জন্য ১০ গিগাওয়াট ট্র্যাকশনের শক্তি উৎপাদনে সক্ষম হবে বলে আশা।
২০৩০ সালের মধ্যে ৩ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি এবং আরও ৩ গিগাওয়াট তাপ ও পারমাণবিক শক্তি কেনার পরিকল্পনা করেছে। ট্র্যাকশনের জন্য প্রয়োজনীয় অবশিষ্ট ৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে বলে পরিকল্পনা করেছে রেল।
রেলওয়ে কতৃপক্ষ সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ মন্ত্রকের ২ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তির আবেদন জানিয়েছে রেলওয়ে। যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি থেকে আরও ২ গিগাওয়াট তাপবিদ্যুতের জোগার করা হবে। এছাড়াও, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সাহায্যে জোগার করা হবে ১.৫ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ।
এই আর্থিক বছরেই ব্রডগেজ রুটে ১০০% বিদ্যুতায়ন শেষ করবে বলে জানায় রেল দফতর। এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, “২০২৫-২৬ সাল থেকে প্রায় ৯৫% ট্রেন বিদ্যুতে চলবে। রেলওয়ের সরাসরি কার্বন নির্গমন প্রতি বছর ১.৩৭ মিলিয়ন টনে নেমে আসবে।”
অনুমান বর্তমানে ভারতে চলমান ৯০% ট্রেন এখন বিদ্যুত চালিত। বাকি ১০% চলে ডিজেলে। তিন বছর আগেও ৩৭% ট্রেন ছিল ডিজেল চালিত। বৈদ্যুতিক নির্ভরতা বাড়ায় ভারতীয় রেলের ট্রেন চালানোর জন্য খরচ আগের থেকে কমেছে। ট্র্যাকশনের জন্য ডিজেলের অধীনে রাজস্ব ব্যয় ২০২৫-২৬ সালে ৯,৫২৮.৫৩ কোটি টাকায় নেমে আসবে বলে আশা। যা গত এক দশকেরও বেশি সময়ে রেলওয়ের দ্বারা ডিজেলের জন্য ব্যয় করা সর্বনিম্ন খরচ বলে আশা।