Maldah: মালদহই অস্ত্র পাচারের করিডর, নজরদারি কয়েকগুণ বাড়িয়েছে বিএসএফ - Bengali News | Maldah: Maldah Corridor, BSF has increased surveillance several times - 24 Ghanta Bangla News
Home

Maldah: মালদহই অস্ত্র পাচারের করিডর, নজরদারি কয়েকগুণ বাড়িয়েছে বিএসএফ – Bengali News | Maldah: Maldah Corridor, BSF has increased surveillance several times

Spread the love

মালদহই করিডর, অস্ত্র পাচারে গ্রেফতারImage Credit source: TV9 Bangla

মালদহ: মালদহকে করিডর করে অস্ত্র যাচ্ছে বাংলাদেশে। কোমর বেঁধে নেমেছে পুলিশ, কলকাতা এসটিএফ। নজরদারি কয়েকগুণ করেছে বিএসএফ। আর এক্ষত্রে কেন্দ্র রাজ্য কোয়ার্ডিনেশন করেই এগোচ্ছে। গত একমাসে অস্ত্র উদ্ধার ২৫ টিরও বেশি। শুধু অস্ত্রই নয়, পাচার হচ্ছে কোটি কোটি টাকার মাদক। যা তৈরি হচ্ছে মালদাতেই। বহু মাদক কারখানার হদিশ। অন্যদিকে ওপার থেকে আসছে জালনোট। এখন ২০০ টাকার জালনোট সবথেকে বেশি। সীমান্ত এলাকা থেকে একের পর এক অস্ত্র উদ্ধার। বহু গ্রেফতার।

আন্তর্জাতিক পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে অনেক। তাঁদের সঙ্গে সীমান্তে সক্রিয় বিভিন্ন উগ্র মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠন। যার মধ্যে হিজবুত তাহরি অন্যতম। এছাড়াও জামাতে উল মোজাহিদিন। সূত্রের খবর, অস্ত্র ও জাল নোটের আদান প্রদান হচ্ছে।

চিনের মত স্টার মার্ক দেওয়া অস্ত্র আসছে মুঙ্গের থেকে। উন্নতমানের নাইন বা সেভেন এম এম পিস্তল। যা চিনের বলে মোটা টাকায় বেচে দিচ্ছে কোনও কোনও পাচারকারী। তবে সব ক্ষেত্রেই নয়। এই সব আগ্নেয়াস্ত্র হাত বদল হতে হতে মুঙ্গের থেকে ঝাড়খণ্ড হয়ে নদী পেরিয়ে ঢুকে পড়ছে মালদায়। সেখান থেকে বাংলাদেশের শিব গঞ্জ বা চাপাইনবাবগঞ্জ। বাংলাদেশের ভোলাহাট এলাকার কিছু দুষ্কৃতীদের সঙ্গে লিঙ্ক খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।

সম্প্রতি সীমান্ত এলাকা থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। মালদাকে করিডর করে অস্ত্র পাচার করছে এমন কয়েকজন ক্যারিয়ারকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু মূল চক্রীরা অধরাই থেকে যাচ্ছে। অস্ত্র যে শুধু মুঙ্গের থেকেই আসছে তাও নয়। বিভিন্ন রকমের পাইপ গান, পিস্তল তৈরি হচ্ছে মালদাতেও। মালদহের কালিয়াচক, বৈষ্ণবনগরে বহুবার এমন একধিক অস্ত্র কারখানার হদিশ পেয়েছে পুলিশ। এদিকে এই নিয়ে উদবেগ বেড়েছে মালদা জেলা জুড়েই। গত জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাস জুড়েই মালদায় একের পর এক খুন, থ্রেটের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। আতঙ্কিত জন প্রতিনিধিরাও।ইংরেজবাজার পুরসভাতেও এই নিয়ে চলছে বিতর্ক।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *