'ডাল করব, আর আলুভাজা' ব্যাগে দেহ, ট্য়াক্সিতে খাওয়ার গল্প মধ্য়মগ্রামের মা মেয়ের, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ডাল করব, আর আলুভাজা’ ব্যাগে দেহ, ট্য়াক্সিতে খাওয়ার গল্প মধ্য়মগ্রামের মা মেয়ের, বাংলার মুখ

Spread the love

সুমিতা ঘোষকে খুন করে, ট্রলিতে ভরে ফেলেছিলেন মা ও মেয়ে। এরপর সেই ট্রলিকে নিয়ে কুমোরটুলিতে ফেলার ছক করেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ধরা পড়ে গিয়েছেন মা ও মেয়ে। মধ্য়মগ্রাম থেকে কিছুটা রাস্তা ভ্যানে গিয়েছিলেন তারা। এরপর ট্যাক্সিতে। সেই ট্যাক্সি চালক মধ্যমগ্রামের বিধানপল্লির বাসিন্দা। 

সেই শ্য়াম সুন্দর দাস কথা বলেছেন সংবাদমাধ্য়মের সঙ্গে। তিনি জানিয়েছেন, ভোরবেলায় এল পার্টি। ৭০০ টাকায় ভাড়া ঠিক হয়েছিল। বলেছিল কুমোরটুলি যাবে। প্রথমে ৬০০ টাকা দেয়। ওঠার সময়ই বলেছিলাম ট্রলিতে কী আছে এত ভারী। তুলতে অসুবিধা হচ্ছিল। বলেছিল কাঁসার বাসন, জামাকাপড়, খাবার আছে। নামানোর সময়ও দেখলাম ভারী। একই কথা বলেছিল। নামার পরে ১০০ টাকা দিয়েছিল। 

ট্যাক্সিতে বসে ওরা কী কথা বলছিলেন? 

‘বলছিল দুপুরে বাড়ি ফিরে ডাল করতে বলব, আলুভাজা করব’ ৬টা ৫ নাগাদ বেরিয়েছিলাম, এয়ারপোর্টের কাছে তেল ভরেছিলাম। এরপর সোজা কুমোরটুলি। । সংবাদমাধ্য়মে জানিয়েছেন ট্যাক্সিচালক। একেবারে হাড়হিম ঘটনা। 

ডিকিতে পিসি শাশুড়ির লাশ। একেবারে অবলীলায় খোশগল্পে মা ও মেয়ে। নাকি যাতে সন্দেহ না হয় সেকারণেই এই উদ্যোগ? কেন তারা মাস্কে মুখ ঢেকেছিলেন? তবে কি যাতে কেউ চিনতে না পারে সেকারণেই এই ছক? 

এদিকে কুমোরটুলির ঘাটে ধরা পড়ার পরেও অত সহজে ট্রলি খুলতে চাননি তারা। তখনও সমান ভাবে তর্ক শুরু করে দেন তারা। বাসিন্দারা বার বার চ্যালেঞ্জ করেছেন। তারপরেও বার বার তারা তর্ক চালিয়ে দেন। তবে পুলিশ আসার পরে তারা ট্রলি খুলতে বাধ্য় হন। 

তবে ভ্য়ান চালক ও ট্য়াক্সি চালক উভয়ই জানিয়েছেন, তারা রক্তের দাগ বা কোনও গন্ধ পাননি। তবে সূত্রের খবর, দেহের গন্ধ যাতে না পাওয়া যায় সেকারণে তারা একটি সুগন্ধি ব্যবহার করেছিলেন। সেকারণেই গন্ধ চাপা পড়ে গিয়েছিল। 

সেদিন একেবারে ভোর ভোর বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন মা ও মেয়ে। আসলে যত ভোরে যাবেন ততই নির্জন থাকবে এলাকা। সেই মতো তারা কুমোরটুলিতে এসেছিলেন। ভেবে ছিলেন ভোরবেলা রাস্তাও থাকবে নির্জন। কুমোরটুলির ঘাটও থাকবে নির্জন। হয়তো ভাবনা ছিল দুপুরের মধ্য়েই বাড়ি ফিরে ভাত, ডাল, আলু ভাজা রান্না করে খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন। কারণ আগের রাতে তো ঘুম  হয়নি। নানা পরিকল্পনা করতেই কেটে গিয়েছিল। এরপর ভোর ভোর লাশ লোপাটের অপারেশন। কিন্তু সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিলেন কুমোরটুলির ঘাটে থাকা মহিলারা। তাদের তৎপরতায় ধরা পড়ে গেলেন অভিযুক্ত মা ও মেয়ে। 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *